একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশঃ মে ১৮, ২০১৭ সময়ঃ ১২:১৮ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৫:৩৬ অপরাহ্ণ

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না এমন আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগই দেশ স্বাধীন করেছে। স্বনির্ভর দেশ গড়তে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার আমলে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না।’

আজ বৃহস্পতিবার নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ীতে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হাওর এলাকার ভূমিহীন-গৃহহীনদের বিনা পয়সায় ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় তারা ঘর পাবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে সরকারি স্কুল-কলেজ দিয়েছি। এখন প্রত্যেক উপজেলায় সরকারি মসজিদ করে দেব। ইতিমধ্যে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। হাওর ও পাহাড়ি এলাকায় আমরা আবাসিক স্কুল করে দেব। যাতে বর্ষা মৌসুমে স্কুলে যেতে ছেলে-মেয়েদের কষ্ট না হয়।’

তিনি বলেন, ‘হাওর এলাকায় খাল-নদী খনন করে মাছ চাষ বাড়াতে হবে। মাছ বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করতে হবে। হাওরের উন্নয়ন বোর্ড গঠন করে দিয়েছি। এই বোর্ড হাওর অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করবে।’

তিনি আরো বলেন, পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি, সপরিবারে হত্যা করে ঘাতকরা। আমরা জনগণের সেবা করতে এসেছি। আমি চাই আপনাদের জীবন মানের উন্নয়ন করতে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই এলাকার বাবরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানিয়ে খালেদা জিয়া বান্দরের হাতে লাঠি তুলে দিয়েছিল। এই এলাকার বারোজনকে হত্যা করেছিল।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পানি সম্পদমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম, স্থানীয় সাংসদ রেবেকা মমিন প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, বিভাগীয় কমিশনার জিএম সালেহ উদ্দিন, রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা প্রশাসক ড. মো. মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মতিউর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান খসরু ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায় প্রমুখ।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে পৌঁছান।

টানা বৃষ্টিপাতের ফলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের বিস্তৃত এলাকা প্লাবিত এবং বোরো ধানের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এতে হাজার হাজার কৃষকের জীবন-জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়ে।

বন্যায় সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

গত ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হাওর এলাকা পরিদর্শন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মাঝে চাল ও নগদ টাকা বিতরণ করেন।

প্রতিক্ষণ/এডি/সাই

 

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য



আর্কাইভ

জুন ২০১৭
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
0cc0