ট্রাফিক জ্যাম উপভোগ করবেন যেভাবে

প্রথম প্রকাশঃ জুলাই ১৪, ২০১৬ সময়ঃ ১২:২৩ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১২:২৩ অপরাহ্ণ

প্রতিক্ষণ ডেস্কঃ

1ট্রাফিক জ্যাম! নগরবাসী, বিশেষ করে রাজধানীবাসীর কাছে এক বিভীষিকার নাম। এই ট্রাফিক জ্যাম যে দৈনিক আমাদের কত সময় নষ্ট করে তার ইয়ত্তা নেই। তাই নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে, একে আবার উপভোগ করা কি বাবা! কিন্তু যেহেতু শহরের ট্রাফিক পরিস্থিতি বদলানোর ক্ষমতা আমাদের নেই, তাই আমরা জ্যামটাকে উপভোগ করার, সহজভাবে বললে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে দেখতে পারি।

আসুন দেখে নিই ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকার সময়টা কাজে লাগিয়ে একে কীভাবে উপভোগ্য করা যেতে পারে।

১) নতুন কিছু শিখুন

আইটিউনে বেশ কিছু ভালো ভালো ইউনিভার্সিটির ফ্রি কোর্স পাওয়া যায়। আপনি সেগুলো শুনতে পারেন এই সময়ে। কিছু ভিডিও টিউটোরিয়ালও দেখে ফেলতে পারেন। আপনার ফোন এতটা উন্নত না হলে নাহয় একটা বইই কিনে ফেললেন। রান্না, ভাষা বা অন্যান্য স্কিল শেখার বই পাওয়া যায়। জ্যামের এই সময়টুকু সেই বইটা পড়ে কাটিয়ে দিতে পারেন।

২) মেডিটেশন করতে পারেন

হর্নের প্যাঁ-পোঁ শব্দে কান পাতাই দায়, এর মাঝে মেডিটেশন! তবে মেডিটেশনের অভ্যাস থাকলে এই সময়ে আপনি চোখ বন্ধ করে ধ্যান করতে পারেন কিছুটা, প্রাণায়াম প্র্যাকটিস করতে পারেন। তবে আপনি যদি গাড়ির চালক হয়ে থাকেন তবে এই কাজটি করা যাবে না।

৩) তৈরি করুন কাজের তালিকা

হাত খালি থাকলে হাতে, নয়তো মনে মনেই করে ফেলুন একটি টু-ডু লিস্ট। দিনের সবচাইতে বড় কাজটা কী? অফিসে ঢুকেই প্রথমে কোন কাজটি করতে হবে? এটা ভেবে নিয়ে সারাদিন কী করতে হবে সেটা ঠিক করে ফেলুন। বড় কোনো সমস্যার সমাধানটা নিয়েও চিন্তা করুন। দেখবেন চট করে সমাধান পেয়েও যেতে পারেন।

৪) ফোন করুন

দরকারি কোনো ফোন কল থাকলে সেটা সেরে ফেলতে পারেন। মা-কে ফোন দিতে পারেন। অথবা এমন কোনো বন্ধুকে কল দিতে পারেন যার সাথে অনেকদিন যাবৎ কথা হয়না। তবে কথা বলার সময় আস্তে কথা বলতে চেষ্টা করুন।

৫) বই পড়ুন

এই কাজটা করতে পারেন বাস বা রিকশায় বসে। আশেপাশে যতো ঝামেলাই থাকুক না কেন, গল্পের বই পড়ে সময়টা দিব্যি কেটে যাবে। বুঝতেও পারবেন না কখন জ্যামে আটকে আধা ঘন্টা চলে গেছে।

৬) গান শুনুন

বিভিন্ন রেডিও স্টেশনে সারাক্ষণই গান বাজতে থাকে। সেগুলো শুনতে পারেন। অথবা নিজের ফোনের প্লে-লিস্টের গানগুলোও শুনতে পারেন এই সময়ে।

৭) একটু ঘুমিয়ে নিন

আপনার সাথে যদি কেউ থাকে, পরিবারের কেউ, বন্ধু বা কলিগ, তাহলে আপনি নিশ্চিন্তে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। তবে একা হলে না ঘুমানোই ভালো। তাতে পকেটমার হবার ভয়টা বেশি থাকে।

 

 

প্রতিক্ষণ/এডি/সাদিয়া

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য

20G