শাবির ৩ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে পরোয়ানা

প্রথম প্রকাশঃ মে ২১, ২০১৭ সময়ঃ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৬:৫৫ অপরাহ্ণ

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) এক স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় শাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিবন চক্রবর্তী পার্থসহ তিন ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আজ রোববার এ পরোয়ানা জারি করেন সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহিতুল হক।

অন্য দুই আসামি হলেন- শাবি ছাত্রলীগ নেতা ও সমাজকর্ম বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র মাহমুদুল হাসান রুদ্র এবং পরিসংখ্যান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র সাজ্জাদ রিয়াদ।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক জানান, যৌন হয়রানিতে এই তিনজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। গত ৪ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন সিনিয়র সহকারী জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা তাসলিমা শরমিন।

অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক আরো জানান, গত ১২ এপ্রিল সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এই তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞতানামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন ঐ স্কুল ছাত্রীর মা । মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে গত ৮ এপ্রিল শাবি শহীদ মিনারের সামনে তার মেয়েকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার দিন ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে শাবিতে বেড়াতে যান সিলেটের পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ঐ ছাত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের নিচে ফুচকা খাওয়ার সময় আসামিরা তাকে উত্ত্যক্ত করে।

আদালত সূত্র জানায়, মামলা দায়েরের পর ঐ দিনই বিচারক মুহিতুল হক বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। সিনিয়র সহকারী জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা তাসলিমা শরমিন এই তদন্তের দায়িত্ব পান।

তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ভিকটিমের প্রতি আসামি রিয়াদ অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে ও সিগারেটের ধোয়া ছোঁড়ে। আসামি রুদ্র ঐ মেয়েকে চড় থাপ্পর মারে ও অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে যৌন হয়রানি করে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। আসামিরা বিশ্ববিদ্যালয় গোল চত্বরে ঐ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নবিউল দিপু ও সর্দার আব্বাসকে মারধর করে, সেই ঘটনারও প্রমাণ মিলেছে তদন্তে।

প্রতিক্ষণ/এডি/সাই

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য

20G