বুয়েট শিক্ষকদের দেশ থেকে তাড়াতে হবে

প্রথম প্রকাশঃ মে ৪, ২০১৫ সময়ঃ ৬:৫১ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:০১ অপরাহ্ণ

Sohagবাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ বলেছেন, ‘বুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আজীবন বহিষ্কার করে সাপের লেজে পা দিয়েছেন বুয়েট শিক্ষকরা। তাই তাদেরকে এর প্রতিঘাত পেতেই হবে।’

সোমবার দুপুরে বুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কারের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

সোহাগ আরো বলেন, ‘এ রকম পাষণ্ড শিক্ষকদের কাছে একরকম জিম্মি বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আর এদের জন্যই বুয়েট এক সময় ৬ মাস বন্ধ ছিল। বুয়েটের ছাত্রলীগ নেতারা নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ওই জামাতি শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাজ করেনি। তারা দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এ কাজ করেছে। আজ এ সব শিক্ষকদের বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করার সময় হয়েছে।’

সমাবেশে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম বহিষ্কারাদেশের তীব্র নিন্দা জানিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে দাবী আদায় করার হুঁশিয়ারী দেন এবং অবিলম্বে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুর রহমান সোহাগ, সহ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নাদিম, দপ্তর সম্পাদক শেখ রাসেল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকর নিয়ে একটি স্ট্যাটাসে দেয়া কমেন্ট নিয়ে সিভিল ইনঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। গত ১২ এপ্রিল শিক্ষকের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেন বুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি শুভ্র জ্যোতি ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ কনক। এ ঘটনায় আরো দুই শিক্ষার্থীসহ শুভ্র ও কনককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

প্রতিক্ষন/এডি/ সালাহউদ্দিন

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য

20G