‘মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান’

প্রকাশঃ আগস্ট ৬, ২০১৫ সময়ঃ ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১২:২৪ অপরাহ্ণ

প্রতিক্ষণ ডেস্ক

Rabindranath tagorআজ ২২ শ্রাবণ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস। এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী কবি, সাহিত্যিক, চিত্রকার, সুরকার, গীতিকার, দার্শনিক বহু গুনে গুনান্বিত কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে আখ্যায়িত করা হয় সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী কবি হিসেবে।বাংলা সাহিত্য ও কাব্যগীতির শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭১তম প্রয়াণ দিবস। ১৯১৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরুস্কার অর্জন করেন ‘গীতাজ্ঞ্জলী(কবিতা গুচ্ছ)’ রচনা করে। সমগ্র এশিয়ায় তিঁনি প্রথম ব্যক্তি যিনি নোবেল প্রাইজ অর্জন করার গৌরব অর্জন করেন।

রবীন্দ্রনাথ প্রয়াত হওয়ার আগেই প্রয়াণকে উপলব্ধি করেছেন নানাভাবে। আমরা তার কাব্যে মৃত্যুর প্রতিধ্বনি শুনেছি বারবার। প্রতিবারই মৃত্যুকে জয়ের এক আরাধনাপ্রতিম প্রয়াস ছিল তার। তিনি মৃত্যুকে বন্দনা করেছেন এভাবে- ‘মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান। মেঘবরণ তুঝ, মেঘ জটাজুট! রক্ত কমলকর, রক্ত-অধরপুট, তাপ বিমোচন করুণ কোর তব মৃত্যু-অমৃত করে দান।’

‘ রবীন্দ্রনাথ বর্ষা নিয়ে, আষাঢ়-শ্রাবণ নিয়ে লিখেছেন । তাতে ধরা পড়ে শ্রাবণ-বর্ষণের বহুমাত্রিক রূপ। তবে শ্রাবণের দিকেই কবির নজর ছিল বেশি। ‘আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে/দুয়ার কাঁপে ক্ষণে ক্ষণে’ শ্রাবণ-বর্ষণে তিনি যেন পেয়েছিলেন মুক্তির ডাক।

তারপর একদিন এই শ্রাবণেই তিনি চলে গেছেন সবাইকে কাঁদিয়ে। অবশ্য কবিগুরু তাঁর কর্মে আমাদের মধ্যে বর্তমান আছেন, থাকবেন চিরদিন। তাঁর ভাষায়, ‘জীবনে মৃত্যু করিয়া বহন প্রাণ পাই যেন মরণে।’ এবং ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে/ মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই। এই সূর্যকরে এই পুষ্পিত কাননে/ জীবন হৃদয় মাঝে যদি স্থান পাই।’

তিনিই একমাত্র কবি, যিনি দুটি দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা। তাঁর সাহিত্যের আবেদন বিশ্বজনীন। তাঁর গান বাঙালির নিত্যদিনের জীবনচর্চায় মিশে আছে গভীরভাবে।

বিশ্বকবির প্রয়ান দিবসে তার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ।

প্রতিক্ষণ/এডি/নির্ঝর

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

August 2026
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 
20G