চ্যাটজিপিটি’র কারণে আদালতে বাতিল হলো বিয়ে
প্রযুক্তির সুবিধা নিতে গিয়ে উল্টো বিপাকে পড়েছেন নেদারল্যান্ডসের এক নবদম্পতি। বিয়ের অনুষ্ঠানকে ভিন্ন ও আধুনিক করতে তারা পেশাদার কাজির বদলে এক বন্ধুকে বিয়ে পড়ানোর দায়িত্ব দেন। আর শপথবাক্য লেখার জন্য নেওয়া হয় চ্যাটজিপিটির সহায়তা।
কিন্তু বিয়ের পর বিষয়টি গড়ায় আদালতে। কারণ, শপথবাক্যে নেদারল্যান্ডসের আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঘোষণাগুলো ছিল না। দেশটির দেওয়ানি বিধি অনুযায়ী, বিয়ের সময় বর-কনেকে প্রকাশ্যে একে অপরকে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ এবং দাম্পত্য দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করতে হয়।
আদালতের নথিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত বক্তব্য ছিল আবেগী ও হাস্যরসপূর্ণ, তবে এতে আইনি বাধ্যবাধকতার স্পষ্ট স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। ফলে জুইলা শহরের আদালত সেই বিয়েকে আইনত বৈধ বলে মানতে অস্বীকৃতি জানায় এবং সিভিল রেজিস্ট্রি থেকে বিয়ের নথি বাতিলের নির্দেশ দেয়।
দম্পতি আদালতে আবেদন করে জানান, ওই তারিখটি তাদের জন্য আবেগঘন ও গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিচারক রায়ে স্পষ্ট করেন—ব্যক্তিগত অনুভূতির চেয়ে আইনই এখানে চূড়ান্ত। আইনি শর্ত পূরণ না হওয়ায় বিয়েটি বৈধ নয় বলেই গণ্য হবে।
এই ঘটনা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে সতর্ক থাকার একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
প্রতি /এডি /শাআ










