ভেনেজুয়েলার পর এবার ট্রাম্পের টার্গেট যে ৫ দেশ
ভেনিজুয়েলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেডিসেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী টার্গেট গ্রিনল্যান্ড, কলম্বিয়া, ইরান, মেক্সিকো ও কিউবা।
ভেনেজুয়েলায় নাটকীয় সামরিক তৎপরতার পর এবার বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে ঘোষিত নতুন পররাষ্ট্রনীতির আওতায় ভেনেজুয়েলার বাইরে আরও পাঁচটি দেশ ও অঞ্চল এখন তার কৌশলগত নজরে রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
এই নীতির কেন্দ্রে রয়েছে ট্রাম্প ঘোষিত নতুন মতবাদ, যা ১৯শ শতকের ‘মনরো ডকট্রিন’-এর আধুনিক রূপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য—পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র প্রভাব নিশ্চিত করা।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে গ্রিনল্যান্ড। উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে কৌশলগত অবস্থান ও খনিজ সম্পদের কারণে দ্বীপটিকে নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে ওয়াশিংটন। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণের ধারণা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে, যা ন্যাটোর ভেতরে অস্বস্তি তৈরি করেছে।
দক্ষিণ আমেরিকায় ট্রাম্পের নজর পড়েছে কলম্বিয়ার দিকে। মাদক পাচার ইস্যুতে দেশটির বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দুই দেশের সম্পর্ককে টানাপোড়েনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আবারও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান উদ্বেগের কেন্দ্রে। দেশটির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও পারমাণবিক কার্যক্রম ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হুমকির ভাষায় কথা বলছে। ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলছে।
উত্তর আমেরিকায় মেক্সিকো সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক চোরাচালান ও অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্পের কড়া অবস্থানের মুখে রয়েছে। কার্টেল দমনে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।
সবশেষে কিউবা। ওয়াশিংটনের ধারণা, আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাবে দেশটির সরকার দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। যদিও তাৎক্ষণিক সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়নি, তবে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে চাপ বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলার পর এই পাঁচ দেশকে ঘিরে ট্রাম্পের অবস্থান বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রতি /এডি / শাআ










