ঘৃতকুমারীর নানা গুণ

প্রকাশঃ মে ৯, ২০১৫ সময়ঃ ৪:০৬ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ

প্রতিক্ষণ ডেস্ক :

aloe-vera-2ছেলে হোক আর মেয়ে হোক সকলেই রুপচর্চার ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। আর রুপচর্চার প্রধান মাধ্যম প্রসাধন সামগ্রী। চোখ মেললেই আপনার চোখে পড়বে নানারকমের আকর্ষনীয় প্রসাধনীর বিজ্ঞাপন। যেখানে অহরহ ঘৃতকুমারীর নাম ও ছবি দেখবত পাবেন এটাই স্বাভাবিক। কারণ এ রসালো উদ্ভিদের উপকারের কথা স্বাস্থ্য ও রূপ সচেতন মানুষের অজানা থাকার কথা নয়।

রুপচর্চায় নানা কারণে মানব দেহে ঘৃতকুমারীর পাতা ও শাঁস ব্যবহার করা হয়। আর্দ্রতা ধরে রাখতে এর পাতার জুড়ি নেই। ক্লিনজার হিসেবে ঘৃতকুমারী খুবই পরিচিত। এর রয়েছে ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা সারানোর ক্ষমতা। ত্বককে নরম, কোমল ও উজ্জ্বল করে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা রক্ষার মাধ্যমে দেয় স্বাস্থ্যকর ত্বকের নিশ্চয়তা।

নারী কিংবা পুরুষ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে দেখা দেয় বলিরেখা। এ ছাড়া আরও কিছু সুক্ষ রেখা দেখা যায়। এগুলো দূর করতে ঘৃতকুমারী বেশ উপকারী। ত্বকে নিয়মিত ঘৃতকুমারী ব্যবহারে এ ধরনের রেখা কমে আসে। এমনকি অদৃশ্যও হয়ে যায়। ত্বকে ফিরে আসে তারুণ্যের দীপ্তি। খুব সহজেই আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আকর্ষনীয় ও প্রাণবন্ত।

পায়ের ফাটা সারাতে অনেক ব্যাবস্থার পরও উন্নতি হচ্ছেনা। তাহলে ব্যাবহার করতে পারেন ঘৃতকুমারীর রস । পায়ের ফাটা দাগ সারাতে এটি চমকপ্রদ। সাধারণত শীতের সময় পায়ের গোড়ালি ফাটে। ক্ষতস্থানে কয়েক ফোঁটা ঘৃতকুমারীর রস মৃদৃভাবে ম্যাসাজ করুন। দারুন ফল পাবেন।

ঠোঁটের যত্মে ঘৃতকুমারী বেশ কার্যকরী। ঘুমানোর আগে ঠোঁটে কয়েক ফোঁটা ঘৃতকুমারীর রস লাগান। ঠোঁট নরম ও উজ্জ্বল হবে। ঘৃতকুমারীর ব্যবহার ত্বককে রোদে পুড়ে যাওয়া ও ব্রুন থেকে রক্ষা করে। সেই সাথে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে ত্বককে করে লাবন্যময়।

নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস পানে পরিপাক প্রক্রিয়া সহজ হয়। ফলে পরিপাকতন্ত্র সতেজ থাকে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। রক্তের শ্বেত কণিকা গঠন করে ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে ঘৃতকুমারী। এ ছাড়া দাঁতের মাড়ি স্বাস্থ্য সবল রাখে। ডায়রিয়াতেও ঘৃতকুমারীর রস দারুণ কাজ করে। নিয়মিত এ রস সেবন শরীরের শক্তি যোগানসহ ওজনকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

প্রতিক্ষণ/এডি/নুর/সালাহউদ্দিন

আরো সংবাদঃ

[fbcomments]

আর্কাইভ

July 2026
SSMTWTF
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
20G