শাবনূরকে বিয়ে করা নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন সালমান শাহর বাবা
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম আলোচিত জুটি ছিলেন সালমান শাহ ও শাবনূর। রুপালি পর্দায় তাদের অভিনয় ও পারস্পরিক রসায়ন দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেই জনপ্রিয়তার মধ্যেই একসময় তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়। এমনকি শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর বিয়ে হয়েছে বলেও সে সময় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
তবে ওই সময় ছড়িয়ে পড়া বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে নিজেই অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন সালমান শাহ। ১৯৯৬ সালের ১৯ জুলাই ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে শাবনূরের সঙ্গে তার কথিত বিয়ের প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেখানে অভিনেতার পাশে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা এ কিউ চৌধুরী।
সালমান শাহ মূলত চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির নিষেধাজ্ঞা এবং তাকে ঘিরে ওঠা নানা অভিযোগের বিষয়ে নিজের বক্তব্য জানাতে ওই সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। আলোচনার একপর্যায়ে শাবনূরের সঙ্গে তার বিয়ের খবর নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।
সালমান শাহ জানান, কয়েকটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় তাকে ও শাবনূরকে নিয়ে বিয়ের সংবাদ ছড়ানো হয়েছে। তবে তিনি সেই খবরকে ভিত্তিহীন বলে জানান। শাবনূরকে নিজের ছোট বোনের মতো দেখেন এবং তাকে স্নেহ করেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের বৈবাহিক অবস্থান পরিষ্কার করে সালমান শাহ জানান, তিনি তখন বিবাহিত ছিলেন।
ছেলের বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়ে শাবনূরকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন প্রসঙ্গে কথা বলেন সালমান শাহর বাবা এ কিউ চৌধুরীও। তিনি ছেলেকে ভালোভাবে চেনেন উল্লেখ করে বলেন, সালমান এমন কোনো কাজ করতে পারে না। তার ধারণা ছিল, পরিকল্পিতভাবেই কেউ সালমানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ফলে শাবনূরকে বিয়ে করার যে খবর সে সময় ছড়িয়ে পড়েছিল, সালমান শাহ ও তার বাবা দুজনেই সেটিকে অস্বীকার করেছিলেন। সালমান শাহর বাবা বরং এটিকে তার ছেলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলেই মনে করেছিলেন।
এর আগে ১৯৯৬ সালের এপ্রিলেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিলেন সালমান শাহ। সে সময় প্রযোজক সমিতি তাকে দুই সপ্তাহের জন্য এফডিসিতে নিষিদ্ধ করে। ‘আগে জানলে টাকা দিয়ে পুরস্কার কিনতাম’ ধরনের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে তৎকালীন সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রতি / এডি / শাআ



















