হজে বয়সসীমা নীতিতে নতুন ঘোষণা দিল সৌদি আরব
হজ পালন করতে শিশুদের বয়সসীমা নিয়ে আগের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসেছে সৌদি আরব। দেশটির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ বছরের নিচে শিশুদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে আগের নিয়ম অনুযায়ী ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুরা আবারও হজে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ৩ মে থেকে ১৫ বছরের নিচের শিশুদের জন্য নতুন বয়সসীমা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে তা চালুর আগেই সৌদি কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্তটি বাতিল করে পূর্বের নীতিতে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।
এই পরিবর্তনের ফলে যেসব হজযাত্রীর ভিসা আবেদন বয়সজনিত কারণে স্থগিত বা বাতিল হয়েছিল, সেগুলো আবার নতুন করে প্রক্রিয়াজাত করা হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অতিরিক্ত জটিলতা ছাড়াই হজ প্রস্তুতি সম্পন্ন করার সুযোগ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হজ জানিয়েছে, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে আগের নির্দেশনা প্রত্যাহার করেছে। এর ফলে কম বয়সী হজযাত্রীদের অংশগ্রহণে পূর্বের বিধান আবার কার্যকর হলো।
এর আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ১৫ বছরের কম বয়সী কাউকে অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। ওই ঘোষণার পর বিভিন্ন দেশের বহু আবেদনকারীর ভিসা বাতিল করা হয় এবং অনেককে অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়ায় যেতে হয়।
সে সময় এয়ারলাইনগুলোকেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, যাতে নির্ধারিত বয়সসীমার নিচে কোনো যাত্রীকে হজ ফ্লাইটে বহন না করা হয়। নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে জানানো হয়।
সর্বশেষ সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরেছে হজযাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। নতুন এই পরিবর্তনের ফলে আবেদন প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং সন্তানদের সঙ্গে হজ পালনের সুযোগ আবারও ফিরে পাবেন বহু পরিবার।
প্রতি / এডি / শাআ













