আজকের জোকস : ১৯ আগস্ট, ২০১৫
প্রতিক্ষণ ডেস্ক
জোকস ১ : তিন বন্ধু!
হঠাৎ করেই স্টার্ট বন্ধ হয়ে থেমে গেল চলন্ত গাড়ি। ভেতরে বসা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ও প্রোগ্রামার। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার গাড়ির কলকবজা পরীক্ষা করে ত্রুটিগুলো দূর করল। গাড়ি স্টার্ট নিল না তবু। পেট্রল আর মবিলের মান যথাযথ নয় বলে জানাল কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বদল করা হলো। গাড়ি তবু নীরব। প্রোগ্রামার প্রস্তাব দিল, আমরা সবাই গাড়ি থেকে বের হয়ে আবার ঢুকি। কাজ হতে পারে।
জোকস ২: দুই বন্ধু!
অনেক দিন পর দুই বন্ধুর দেখা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্পের এক ফাঁকে একজন আরেকজনকে বর্তমানে চাকরি কার কেমন চলছে জিজ্ঞেস করতেই –
প্রথম বন্ধু : আজই চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে এলাম।
দ্বিতীয় বন্ধু : কেন? এ কী বলিস তুই? কী হয়েছিল মালিকের সঙ্গে?
প্রথম বন্ধু : আর বলিস না, কোম্পানির এমডি ডেকে নিয়ে যা বললেন, তাতে আর ওই অফিসে কাজ করা যায় না।
দ্বিতীয় বন্ধু : অত সেন্টিমেন্টাল হোস কেন রে? চাকরি করতে গেলে বসদের একটু-আধটু কথা শুনতেই হয়। বল তো এমডি তোকে কী বলেছেন?
প্রথম বন্ধু : একটি পত্র হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, এ মুহূর্তে তোমাকে বরখাস্ত করলাম।
জোকস ৩ : দুই বন্ধু!
অপু এবং নাছের দুই বন্ধু একই অফিসে চাকরি করে।
অপু: দোস্ত, কত দিন ধরে ছুটি পাই না। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু বস তো কিছুতেই ছুটি দেবেন না।
নাছের: হুমম্। আমিও হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু আমি বসের কাছ থেকে ছুটি নিতে পারব, দেখবি?
বলেই নাছের টেবিলের ওপর উঠে দাঁড়াল এবং ছাদ থেকে বেরিয়ে আসা একটা রড ধরে ঝুলতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর বস এলেন।
বস: এ কী নাছের! তুমি ঝুলে আছ কেন?
নাছের খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, ‘স্যার আমি লাইট, তাই ঝুলে আছি।’
বস ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন। কিছুক্ষণ ভেবে বললেন, ‘অতিরিক্ত কাজের চাপে তোমার মস্তিষ্ক বিকৃতি দেখা দিচ্ছে। তুমি বরং এক সপ্তাহের ছুটি নাও।’
নাছের অপুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে রুম থেকে বিদায় নিল।
অপু চেয়ে চেয়ে দেখল। নাছের বেরিয়ে যেতেই সেও নাছেরের পিছু নিল।
বস: সে কী! ছুটি তো ওকে দিয়েছি! তুমি কোথায় যাচ্ছ?
অপু: কী আশ্চর্য! লাইট ছাড়া কাজ করব কী করে?
প্রতিক্ষন/এডি/তাফসির




















