কারও কাছে সাহায্য চাইবেন না : লাকী আখন্দ
বিনোদন ডেস্ক
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী লাকী আখন্দ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, চিকিৎসার জন্য কারও কাছে সাহায্য চাইবেন না। এমনকি তার চিকিৎসার জন্য কোনো কনসার্ট বা তহবিল সংগ্রহ কার্যক্রমও যেন না হয়, সেজন্য ভক্ত ও সহকর্মীদের অনুরোধ করেছেন তিনি। তিনি আরোও বলেন ‘আমার কাছে ৫ লাখ টাকা আছে। কিন্তু চিকিৎসার জন্য দরকার পড়বে ১৫-২০ লাখ টাকা।’ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) বসে সাংবাদিকদের সঙ্গে একান্তে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আমি কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই ‘কবিতা পড়ার প্রহর’, ‘এখানে বসন্ত তোমার’ গানগুলো তৈরি করেছিলাম। আমার গানগুলো এখন অনেকেই গাইছেন। টিভি চ্যানেল, এফএম রেডিওতে আমার গানগুলো গাইছেন অনেক শিল্পীরা। তারা আমাকে সেই গানগুলোর মেধাস্বত্ত্বব দিক। মেধাস্বত্ত্বব বাবদই তো আমরা অনেক টাকা পাই। চিকিৎসার জন্য আমি কারও কাছে হাত পাতবো না।”
চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেওয়ার সময় তিন আরও জানান যে, এখন ৫ লাখ টাকা তার কাছে আছে। বাকিটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
এদিকে লাকী আখন্দকে দেখতে গানের মানুষরা ভিড় করতে শুরু করেছেন হাসপাতালে। তাকে দেখার জন্য এসেছিলেন কুমার বিশ্বজিৎ, শওকত আলী ইমন, কবির বকুল সহ আরও অনেকেই।
সোমবার দুপুরে ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে লাকী আখন্দের। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসক চৌধুরী মিশকাত আহমেদ ও ওসমানের তত্ত্বাবধানে চলছে তার চিকিৎসা। এই অবস্থায় কালজয়ী এই সঙ্গীতজ্ঞকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এখানে ভর্তি রয়েছেন লাকী।
লাকী আখন্দ কালজয়ী অসংখ্য সুর উপহার দিয়েছেন। পাশাপাশি কণ্ঠও দিয়েছেন কিছু গানে। তার সুরারোপিত ও গাওয়া গানের মধ্যে— ‘আমায় ডেকো না’, ‘এই নীল মনিহার’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে’, ‘মামনিয়া’, ‘আগে যদি জানিতাম’, ‘লিখতে পারি না কোনো গান’ প্রভৃতি অন্যতম।
প্রতিক্ষণ/এডি/ডিএইচ



















