চবিতে চতুর্থ সমাবর্তন ৩১ জানুয়ারি

প্রকাশঃ জানুয়ারি ২৯, ২০১৬ সময়ঃ ৬:১৯ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৬:১৯ অপরাহ্ণ

চবি প্রতিনিধি

চবিআগামী ৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বহুল প্রতীক্ষিত চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে স্নাতকদের বরণ করে নিতে নানা রঙে-ঢঙে সেজেছে পুরো ক্যাম্পাস।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সমাবর্তনকে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে নেওয়া হয়েছে আট স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এর অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় সমাবেশস্থল ছাড়াও আশপাশের পাঁচ পাহাড়েও নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। চতুর্থ সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করছে ৭ হাজার ১৯৪ জন গ্র্যাজুয়েট। যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমাবর্তন। আর এটি অনুষ্ঠিত হবে চবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে।

সমাবর্তনে অংশ নেওয়া গ্র্যাজুয়েটরা আগামী ২৯ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের মিলনায়তন থেকে গাউন সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া সমাবর্তনের দিন ক্যাম্পাসে ৭২টি বুথ বসানো হবে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীরা চাইলে বুথ থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন গাউন।

সরেজমিনে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ও ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। সবুজ ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও ব্যবস্থাপনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করাসহ বিভিন্ন রঙে ঢঙে
সাজানো হচ্ছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানস্থল সাজানো হচ্ছে বাহারিভাবে, বানানো হচ্ছে হ্যালিপ্যাড। মেরামত করা হচ্ছে রাস্তাঘাট প্রস্তুত করা হচ্ছে গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান। এ নিয়ে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলছে উৎসবের আমেজ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী জানান, ‘সমাবর্তন নির্বিঘ্নে করতে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, রেলওয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানস্থরের চারপাশে নিরাপত্তা কর্মীদের দ্বারা ঘিরে ফেলা হবে’।

তিনি আরও জানান,‘ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোকে আইপি ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠান ভালোভাবেই সম্পন্ন করতে পারব বলে আশা করছি।’

সমাবর্তন কমিটির প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. কামরুল হুদা বলেন, ‘চতুর্থ সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ। ঐদিন ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আসতে পারবে। কিন্তু সমাবর্তনস্থলে প্রবেশ করতে পারবে না।

শুধুমাত্র যাদের অনুমতি পত্র থাকবে তাদেরই সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, অনুষ্ঠানের দিন গ্র্যাজুয়েটদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ৩-৪ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা থাকবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী প্রতীক মুস্তাফিজ বলেন, ‘প্রায় সাত বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হচ্ছে। যেটি আমাদের জন্য বড় একটি পাওয়া। এ জন্য আমাদের মধ্যে আনন্দের উত্তেজনা বিরাজ করছে।’

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ ২০০৮ সালের ৫ নভেম্বর চবির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর বদিউল আলমের সময়ে তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

প্রতিক্ষণ/ এডি/ এল জেড

আরো সংবাদঃ

[fbcomments]

আর্কাইভ

July 2026
SSMTWTF
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
20G