জাবিতে আবারও নিয়োগে স্বজনপ্রীতি
তহিদুল ইসলাম, জাবি প্রতিনিধি:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। কোনো ধরণের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই মঙ্গলবার স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে লোকবল নিয়োগের অভিযোগ পাওয়া যায়।
জানা যায়, বেগম সুফিয়া কামাল হলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে উপাচার্যের একান্ত সচিব (ডেপুটি রেজিস্ট্রার) আমজাদ হোসেনের মেয়ে দিলারা হোসেনকে নিয়োগবিধি লঙ্গন করে নিয়োগ দেয়া হয়।
এদিকে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে একের পর এক বিতর্কিত লোকবল নিয়োগ দেয়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্বজনপ্রীতিকে দুর্নীতির রূপ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জাবি শিক্ষক মঞ্চের মুখপাত্র ও দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে যাকে নিয়োগ দেয়া হয়, সে কখনো যথাযথ ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারে না।’
তবে এ বিষয়ে জাবি রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘বেগম সুফিয়া কামাল হলের সহকারী হল সুপারিন টেনডেন্ট হিসেবে একজনকে মাস্টার রোলে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি কার কি হন সেটা আমাদের দেখার বিষয় না।’
এ বিষয়ে জানতে জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সাথে যোগযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ জুলাই ঈদুল ফিতরের ছুটির আগে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম তার একান্ত সচিব মো. ছানোয়ার হোসেনের স্ত্রী তাসনিমা খন্দকারকে ছাত্রকল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের ক্যারিয়ার গাইডেন্স নিয়োগ দেয়া হয়।
এছাড়া উপাচার্যের কার্যালয়ের সিনিয়র সর্টার মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. আবু হানিফকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেন। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনা ও শিক্ষকদের বিরোধিতা উপেক্ষা করে এমন বিতর্কিত নিয়োগ দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।
এছাড়া উপাচার্যের একান্ত সচিব মো. ছানোয়ার হোসেনের বোন ইয়াসমিন আক্তারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হলের হল অ্যাটেনডেন্স এবং উপাচার্যের কার্যালয়ের সিনিয়র সর্টার মো. সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে সালমাকে কমনরুম অ্যাটেনডেন্স হিসেবে মাস্টার রোলে নিয়োগ দেন তিনি।
প্রতিক্ষণ/এডি/শাআ
























