সোনার খনিতে মৃত্যু ঝুঁকি

প্রকাশঃ অক্টোবর ২২, ২০১৫ সময়ঃ ৪:৩৬ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৪:৩৬ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

goldসোনা মানুষের আবিষ্কৃত প্রাচীনতম মৌল। এমনকি নব্য প্রস্তর যুগেও সোনার তৈরি দ্রব্যাদি ব্যবহৃত হতো। সে যুগের খননকৃত অনেক নিদর্শনে পাথরের জিনিসের সাথে এগুলোর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। অন্যান্য মৌলপদার্থের মতো এটিও ভূগর্ভে থাকে।

স্বর্ণ খনির উপর নির্ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকার শহর জোহানেসবার্গ গড়ে উঠেছে। এখন সেখানকার বেশিরভাগ খনিই বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষ আর অপরাধী চক্রগুলো এখনো এসব পরিত্যক্ত খনিতে সোনার খোঁজ করে।

অনেক সময়ই এটি এতটাই বিপদজনক হয়ে দাঁড়ায় যে তাদের মৃত্যুও ঘটে।

সোনা খাতের অবনতি, বেকারত্ব, অবৈধ অভিবাসন, আর দারিদ্রের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকায় সোনা খোঁজার এই প্রবণতা বাড়ছে।

স্বর্ণ শহরের মাটির নীচের সুরঙ্গে, বাতি, শাবল, হাতুড়ির মতো খুব সামান্য জিনিসপত্র নিয়ে প্রবেশ করছেন স্বর্ণ সন্ধানীরা। জামাজামাজ নামে স্থানীয় ভাবে পরিচিত এই স্বর্ণ সন্ধানীরা জোহানেসবার্গ পরিত্যক্ত কয়েকটি সোনার খনিতে নিয়মিত সোনার খোঁজ করেন।

পরস্পরের সঙ্গে শক্ত রশি দিয়ে নিজেদের বেঁধে, মাটির চারশ ফিট নিচে, অনেক সময় এক সপ্তাহ ধরে তারা সোনার খোজ করে। তাদের বিশেষ কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই, বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটলে বাঁচানোরও কোন উপায় নেই। গভীর সুড়ঙ্গ থেকে দুইদিন পরে কিছু আকরিক নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন রয় নোয়ার।

 

প্রতিক্ষণ/এডি/বিএ

 

 

 

প্রতিক্ষণ/এডি/বিএ

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

August 2026
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 
20G