এটিএম এর আদি কথা

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৬ সময়ঃ ৫:০২ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৫:০৬ অপরাহ্ণ

প্রতিক্ষণ ডেস্ক

49024-SOS-ATM

টাকা এখন আর মানিব্যাগে বা পকেটে থাকে না। সে জায়গায় এখন বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ড স্থান করে নিয়েছে। সময়ের সাথে মানুষের জীবনযাত্রার এখন বিস্তর ফারাক। প্রতিটি স্থরে এখন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের আধিপত্য। ম্যানুয়েল পদ্ধতি এখন সেকেলে হয়ে গেছে।

ঘরে ঘরে এখন দিনে বা রাতে প্রাত্যহিক জীবনে অতি পরিচিত এক নাম এটিএম। মানুষের ব্যাংকিং সেবায় পছন্দের শীর্ষে থাকা এই এটিএম  মানুষের জীবনকে করেছে একাধারে সহজ আর সেই সাথে আধুনিকও বটে । মানুষ এখন আর নগদ টাকা বহন করে না, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে প্রতারিতও হয়না। অনলাইন সেবার আওতায় এটিএমের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে টাকা তোলা, পাঠানো বা সংরক্ষণও করা যায়।

এই এটিএম এর পূর্ণ  রূপ হল, অটোমেটেড টেলার মেশিন বা অটোমেটিক টেলার মেশিন। এটিএম কার্ড   আমেরিকান, অস্ট্রেলিয়, সিঙ্গাপুরী, ভারতীয়, মালদ্বীপের, হিবার্নো এবং শ্রীলংকানদের কাছে অটোমেটেড ব্যাংকিং মেশিন নামে পরিচিত। (এটিএম (কানাডিয় ভাষায়), ক্যাশ মেশিন, ক্যাশপয়েন্ট, ক্যাশলাইন, বা কথ্য ভাষায় দেয়ালের মধ্যে ছিদ্র (ব্রিটিশ এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ভাষায় বলা হয়)।

এটি এমন একটি  ইলেকট্রনিক টেলিযোগাযোগ ডিভাইস যা কোন কেরানি বা ব্যাংক টেলার বা কোষাধ্যক্ষের প্রয়োজন ছাড়াই কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেন বিশেষ করে নগদ টাকা তোলার কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম।

শুরুটা হয়েছিল স্কটিশ ব্যবসায়ী  জন শেফার্ড ব্যারনের হাতে। এই যন্ত্রের ধারণা প্রথম স্কটল্যান্ডের অধিবাসী জন শেফার্ড ব্যারনের ভাবনাতে আসে। চকলেট ভেন্ডিং মেশিন (চকলেট বিক্রি কারার স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র) দেখেই তিনি এটিএম তৈরি করার কথা ভাবেন।

১৯৬৭ সালের ২৭ জুন লন্ডনে বার্কলেস ব্যাংকের এনফিল্ড শাখায় প্রথম এটিএম স্থাপন করা হয়। মেশিনটি পিন (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) নম্বরের ভিত্তিতে কাজ করতো।
সেই সময় থেকে বহুল প্রচলিত এনসিআর পারসোনাস ৭৫-সিরিজের অভ্যন্তরীণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বহু কার্যকারিতাসম্পন্ন এটিএম ব্যবহার হয়ে আসছে। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশেও এটি ব্যপক জনপ্রিয় একটি মাধ্যম।

প্রতিক্ষণ/এডি/আস

আরো সংবাদঃ

সর্বশেষ সংবাদ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G