পুষ্টিগুণে ভরা মসুর ডাল, যাদের জন্য হতে পারে ঝুঁকির কারণ

প্রকাশঃ মে ৭, ২০২৬ সময়ঃ ৮:৫০ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৮:৫০ অপরাহ্ণ

মসুর ডাল আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অন্যতম পরিচিত ও জনপ্রিয় খাবার। বিশেষ করে কম খরচে ভালো মানের প্রোটিন পাওয়ার কারণে এটি সাধারণ মানুষের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি খাদ্য উপাদান। শুধু প্রোটিনই নয়, মসুর ডালে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীর সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

পুষ্টিবিদদের মতে, মসুর ডালে থাকা অ্যান্টি-এজিং উপাদান ত্বকের বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি এতে থাকা ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই চোখ ও ত্বকের জন্যও উপকারী। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে মসুর ডাল খেলে শরীরের পুষ্টির ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হয়।

তবে সব উপকারী খাবার সবার জন্য সমানভাবে ভালো নাও হতে পারে। বিশেষ কিছু শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মসুর ডাল খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

যাদের শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি বা গেঁটে বাতের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত মসুর ডাল খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ মসুর ডালে থাকা ‘পিউরিন’ শরীরে ভেঙে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে। ফলে অস্থিসন্ধিতে ব্যথা ও ফোলাভাব বাড়তে পারে।

কিডনিতে পাথর বা দীর্ঘদিনের কিডনি সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদেরও মসুর ডাল খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে বলা হয়। এতে থাকা অক্সালেট কিডনিতে পাথর তৈরির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়া কিডনি ঠিকভাবে কাজ না করলে অতিরিক্ত প্রোটিন ও পটাশিয়াম শরীরে জমে জটিলতা তৈরি করতে পারে।

হজমজনিত সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও মসুর ডাল অস্বস্তির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যাদের গ্যাস, অ্যাসিডিটি বা পেট ফাঁপার সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ডালে থাকা ফাইবার ও শর্করা ধীরে হজম হওয়ায় সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

এছাড়া কারও যদি ডালজাতীয় খাবারে অ্যালার্জি থাকে, তাহলে মসুর ডাল খাওয়ার আগে সতর্ক থাকা জরুরি। অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কিছু মানুষের ওজন বাড়ার আশঙ্কাও থাকতে পারে। তাই স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে মসুর ডাল খাওয়াই সবচেয়ে ভালো বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।

প্রতি / এডি / শাআ

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

August 2026
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 
20G