এলপিজির বাড়তি দামে এবার কি ভাতের পাতেও টান পড়বে?
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব সাধারণত খুব দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে। পরিবহন খরচ বাড়ে, পণ্য পরিবহনের ব্যয় বাড়ে, এরপর একে একে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও তার প্রভাব পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে রিকশাচালকেরাও অনেক সময় যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নিয়ে নিজেদের ব্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
কিন্তু এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। গত ২১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক ধাক্কায় ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। এর পর থেকেই পরিবহন ভাড়া, ডিম, সবজি থেকে শুরু করে নানা পণ্যের বাজারে বাড়তি চাপ দেখা দিয়েছে। অথচ রিকশাচালকদের আয় সেই অনুপাতে বাড়েনি। বরং অনেক ক্ষেত্রেই আগের ভাড়াতেই যাত্রী বহন করতে হচ্ছে তাঁদের।
এর পেছনে একটি বড় কারণ হতে পারে যাত্রীদের আর্থিক সক্ষমতা। রিকশায় চলাচলকারী অনেক মানুষের পক্ষেই আগের চেয়ে বেশি ভাড়া দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে রিকশাচালকেরাও বাড়তি খরচের চাপ যাত্রীদের ওপর পুরোপুরি দিতে পারছেন না।
অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। নব্বইয়ের দশকের পর দেশে মুক্তবাজার অর্থনীতির বিস্তার ঘটার সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে ‘ট্রিকল ডাউন’ অর্থনীতির ধারণা গুরুত্ব পেয়েছে। অর্থাৎ অর্থনীতির ওপরের স্তরে আয় ও সম্পদ বাড়লে তার সুফল ধীরে ধীরে নিচের স্তরের মানুষের কাছেও পৌঁছাবে, এমনটাই ধরে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতা সেই ধারণাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে।
গত সপ্তাহে ব্যাটারিচালিত রিকশায় মালিবাগ থেকে কারওয়ান বাজার যাওয়ার সময় এমনই এক চালকের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। নিজের সংসার চালানোর কৌশল বলতে গিয়ে তিনি জানালেন, বাজারে ছোট ছোট ব্যয়ের ক্ষেত্রেও তাঁকে কাটছাঁট করতে হচ্ছে।
আগে প্রতিদিন চারটি বানরুটি ও দুই কাপ চা খেতেন। এখন বানরুটির দাম পাঁচ টাকা করে বেড়ে যাওয়ায় চারটির বদলে দুটি খাচ্ছেন, কিন্তু চায়ের পরিমাণ কমাতে পারেননি। সংসারের খাবারের তালিকাতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। আগে সপ্তাহে তিন-চার দিন পরিবারের সদস্যদের ডিম, পাঙাশ মাছ কিংবা ব্রয়লার মুরগি খাওয়াতে পারতেন। এখন বেশির ভাগ সময় ভাত, ডাল, আলুভর্তা বা শাক দিয়েই খাবার সারতে হচ্ছে।
এর সঙ্গে বেড়েছে বিদ্যুতের বিল। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বাজারে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত উঠে যাওয়ার কথাও বললেন তিনি। সবকিছুর হিসাব মিলিয়ে সংসার চালানো যে কতটা কঠিন হয়ে পড়েছে, তাঁর কথায় সেটাই স্পষ্ট।
কারওয়ান বাজারে নামার সময় চালকটির একটি কথাই সবচেয়ে বেশি মনে দাগ কাটল। তাঁর ভাষায়, আগে থেকেই পাতে টান ছিল, এখন হয়তো ভাতের পরিমাণেও টান পড়তে পারে।
এ পরিস্থিতি শুধু একজন রিকশাচালকের নয়। নির্দিষ্ট আয়ের শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তের বড় একটি অংশ একই ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছেন। টানা চার বছরের বেশি সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমছে। অন্যদিকে প্রতিনিয়ত বাড়ছে জীবনযাপনের ব্যয়।
ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রেও মানুষ একে একে অনেক কিছু বাদ দিতে বাধ্য হয়েছে। বিনোদন, ভ্রমণ, শিক্ষা, যাতায়াত ও চিকিৎসার মতো খাতে কাটছাঁটের পর এখন খাবারের তালিকাতেও সেই চাপ স্পষ্ট। মাছ, মাংস, ডিম ও সবজির মতো পুষ্টিকর খাবারের পরিমাণ কমেছে অনেক পরিবারের। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেকের কার্বোহাইড্রেট বা শর্করার প্রধান উৎস ভাতের পরিমাণ নিয়েও ভাবতে হচ্ছে।
বানরুটির দাম বেড়ে যাওয়া কিংবা শিঙাড়ার আকার ছোট হয়ে আসা তাই নিছক বাজারের পরিবর্তন নয়। এর পেছনে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি বড় বাস্তবতা রয়েছে।
বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যতালিকায় ভাতের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। ফলে ভাতের মতো প্রধান খাদ্যেও যদি মানুষের ব্যয় সংকোচন শুরু হয়, তাহলে বিষয়টি শুধু ক্ষুধার সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে না; এর সঙ্গে পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রভাবও জড়িয়ে যায়।
অন্যদিকে দেশে আয় ও সম্পদের বৈষম্যও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার বিষয়। গত দেড়-দুই দশকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, উন্নয়নের দৃশ্যমান পরিবর্তনও এসেছে। কিন্তু সেই অনুপাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধি এবং বাড়তে থাকা বৈষম্য শেষ পর্যন্ত সামাজিক অসন্তোষকে তীব্র করে তুলতে পারে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে সেই অসন্তোষের একটি বড় উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়।
এলপিজির দাম বাড়ল যেভাবে
এর মধ্যেই ৫ অক্টোবর মধ্যরাতে রান্নার গ্যাস বা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসে। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম একবারে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অবশ্য সরকারি নতুন দাম ঘোষণার আগেই বাজারে এর চেয়ে অনেক বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছিল। এর আগে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সরকারি নির্ধারিত মূল্য ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু বাজারে সেটি ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হওয়ার অভিযোগ ছিল।
এলপিজির দাম বাড়ার আশঙ্কা বাজারে তৈরি হয়েছিল প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই। আমদানির পরিসংখ্যানও বলছে, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে এলপিজি আমদানিতে বড় কোনো ঘাটতি হয়নি।
এলপিজি আমদানিকারকদের সংগঠন লোয়াবের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিকটন এলপিজি আমদানি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টন। অর্থাৎ মাত্র ২ হাজার টনের পার্থক্য ছাড়া আমদানিতে বড় ধরনের পতন দেখা যায়নি।
তাহলে সরবরাহ নিয়ে বাজারে এমন অস্থিরতা তৈরি হলো কেন?
এই প্রশ্নের উত্তরেই সামনে আসে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও বাজারে পণ্য না পাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হলে ভোক্তারা শেষ পর্যন্ত বেশি দাম দিতে বাধ্য হন। এরপর সরকার নতুন দাম নির্ধারণ করলে বাজারদরও ধীরে ধীরে সেই পর্যায়ে চলে আসে।
এলপিজির ক্ষেত্রে গত এপ্রিলেও প্রায় একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল। প্রথমে বাজারে সংকট ও বাড়তি দামের চাপ তৈরি হয়। পরে সরকার তুলনামূলক কম দাম নির্ধারণ করলে ভোক্তা ও ব্যবসায়ী উভয় পক্ষের মধ্যে এক ধরনের স্বস্তি তৈরি হয়।
এ ধরনের পরিস্থিতি শুধু এলপিজির বাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের বাজারেও সরবরাহ, মজুত ও সিন্ডিকেটের প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। সরকার পরিবর্তনের পরও বাজারের এই কাঠামোগত সমস্যার বড় কোনো পরিবর্তন এখনো চোখে পড়েনি।
সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। জ্বালানি, পরিবহন ও আমদানি ব্যয় বাড়লে দেশের বাজারে তার প্রভাব পড়াটাই স্বাভাবিক। ফলে মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার বাস্তব কারণ রয়েছে।
কিন্তু সেই বাস্তবতার সুযোগ নিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কোনো গোষ্ঠী যদি নিজেদের মতো করে দাম বাড়ায়, তখন প্রশ্ন ওঠে সরকারের বাজার তদারকি নিয়ে।
যখন সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ খাবারের তালিকা থেকে ইতিমধ্যে মাছ, মাংস, ডিম ও সবজি কমিয়ে দিয়েছে, তখন তাদের ভাতের পরিমাণ নিয়েও ভাবতে বাধ্য হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়া নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক।
আর এই সংকটের মধ্যেই বাজারে কারসাজির মাধ্যমে বাড়তি অর্থ যদি ভোক্তাদের পকেট থেকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবসায়ীর হাতে চলে যায়, তাহলে আয় ও সম্পদের বৈষম্য আরও বাড়বে। দেশে একদিকে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে দ্রুতগতিতে বড় সম্পদের মালিকের সংখ্যাও বাড়ছে। বাজারের এই কাঠামো সেই বৈষম্যকে আরও গভীর করে।
এটি এক ধরনের স্বজনতোষী অর্থনীতির চিত্র, যেখানে বাজারের ঝুঁকি বহন করে সাধারণ মানুষ, কিন্তু সংকটের সুযোগ থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় প্রভাবশালী গোষ্ঠী।
শ্রমিকের আয় আর সংসারের হিসাব
বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্রাতিষ্ঠানিক শিল্প পোশাক খাত। এই খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। বাস্তবে অনেক শ্রমিকের মাসিক আয় ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকার আশপাশে।
এমন একজন শ্রমিককে যদি মাসে রান্নার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিল বাবদই ৩ হাজার টাকার বেশি ব্যয় করতে হয়, তাহলে বাসাভাড়া, যাতায়াত, সন্তানের শিক্ষা এবং অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর পর খাবারের জন্য হাতে কত টাকা থাকে, সেটিই বড় প্রশ্ন।
গত ৭ সেপ্টেম্বরের দৈনিক সংবাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজীপুরে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ২০ মাসে ১ হাজার ১৭৬টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সবগুলোর কারণ অর্থনৈতিক নয়, সেটি স্বাভাবিক। তবে এর একটি অংশও যদি অর্থনৈতিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের।
যুদ্ধ, মহামারি কিংবা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মতো বিষয় বাংলাদেশ একা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। কিন্তু এসব সংকটের অভিঘাত থেকে দেশের সবচেয়ে দুর্বল জনগোষ্ঠীকে কতটা সুরক্ষা দেওয়া হবে, সেটি সরকারের নীতিনির্ধারণের বিষয়।
ভারতে নিম্ন আয়ের ও দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য রান্নার গ্যাসে ভর্তুকির ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও দরিদ্র ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের জন্য জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। অথচ এখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধনী-গরিব সবাইকে একই বাজারদরে পণ্য কিনতে হয়।
রাজস্ব ব্যবস্থাতেও পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা বেশি। ভ্যাটের মতো কর শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপরই চাপ তৈরি করে। ফলে আয় কম এমন মানুষও একই হারে পণ্যের ওপর কর পরিশোধ করেন। এ ব্যবস্থায় করের বোঝা তুলনামূলকভাবে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর বেশি পড়ে।
এলপিজি বাজারে সরকারি হস্তক্ষেপ কতটা জরুরি
এলপিজির বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই সিন্ডিকেট ও বাজার কারসাজির অভিযোগ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মাধ্যমে এলপিজি আমদানির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছিল। তবে সেই উদ্যোগ এখনো বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
বাজার তদারকিতে যদি কাঙ্ক্ষিত ফল না আসে, তাহলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এলপিজি আমদানির পরিমাণ বাড়ানো একটি বিকল্প হতে পারে। এতে বেসরকারি আমদানিকারকদের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি বাজারে সরবরাহের ওপর সরকারের সরাসরি প্রভাব বাড়তে পারে।
তবে শেষ পর্যন্ত মূল সিদ্ধান্তটি নীতিগত। সরকার কি সাধারণ ভোক্তাকে সুরক্ষা দেবে, নাকি বাজারের প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলোকে নিজেদের মতো করে দাম নির্ধারণের সুযোগ দেবে?
কারণ সংকট শুধু একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। যখন একজন রিকশাচালককে খাবারের তালিকা থেকে ডিম-মাছ-মাংস বাদ দিতে হয়, বানরুটির সংখ্যা কমিয়ে দিতে হয় এবং শেষ পর্যন্ত ভাতের পরিমাণ নিয়েও চিন্তা করতে হয়, তখন সেটি একটি বড় অর্থনৈতিক সতর্কবার্তা।
এলপিজির দাম বাড়ার চাপ তাই শুধু রান্নাঘর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকার কথা নয়। এর প্রভাব যদি মানুষের খাবারের থালায় গিয়ে পড়ে, তাহলে বিষয়টি বাজারদরের চেয়ে অনেক বড় সামাজিক সংকেত হয়ে দাঁড়ায়।
প্রতি / এডি / শাআ























