‘সরি’ একটি ছোট্ট শব্দ, কিন্তু এর পেছনের ইতিহাস জানেন কি?
ভুল করলে, কাউকে আঘাত দিলে কিংবা কারও কাছে অনুশোচনা প্রকাশ করতে আমরা প্রায়ই ‘সরি’ বলে থাকি। দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত এই শব্দটির পেছনেও রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। তবে মজার বিষয় হলো, শব্দটির শুরু থেকেই অর্থ ছিল না ক্ষমা চাওয়া। একসময় এটি মানুষের নিজের দুঃখ, কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হতো।
ইংরেজি ‘Sorry’ শব্দটির শিকড় প্রাচীন ইংরেজি ‘Sarig’ শব্দে। সেই সময় শব্দটি দিয়ে দুঃখ, বেদনা কিংবা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার অনুভূতি বোঝানো হতো। ইংরেজি ‘Sore’ শব্দটির সঙ্গেও এর ভাষাগত যোগসূত্র রয়েছে। ‘Sore’ বলতে মূলত শারীরিক ব্যথা বা যন্ত্রণা বোঝায়।
কালের পরিক্রমায় ‘Sorry’ শব্দের ব্যবহার ও অর্থে পরিবর্তন আসে। দ্বাদশ শতকের দিকে এটি অনুশোচনা, অপরাধবোধ ও নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশের অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। পরবর্তী সময়ে অন্যের দুর্ভোগে সমবেদনা জানানো এবং নিজের কোনো কাজের জন্য ক্ষমা চাওয়ার ক্ষেত্রেও শব্দটির ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে।
অনলাইন ব্যুৎপত্তি অভিধান ইটিমঅনলাইনের তথ্য অনুসারে, ‘I am sorry’ না বলে শুধু ‘Sorry’ শব্দটি ব্যবহার করে ক্ষমা চাওয়ার প্রচলন শুরু হয় ১৮৩৪ সালের দিকে। এভাবেই নিজের মনের দুঃখ প্রকাশের শব্দটি ধীরে ধীরে অন্যের কাছে ক্ষমা চাওয়া ও অনুশোচনা প্রকাশের বহুল পরিচিত ভাষায় পরিণত হয়েছে।
প্রতি / এডি / শাআ



















