উত্তরপত্রে নম্বর জালিয়াতি করলে হতে পারে দুই বছরের জেল

প্রকাশঃ জুলাই ১৩, ২০২৬ সময়ঃ ৯:৪৩ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:৪৩ অপরাহ্ণ

পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে নম্বর বাড়ানো বা কমানোর ঘটনায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন সংশোধনী আইন পাস করেছে জাতীয় সংসদ। নতুন আইনে এ ধরনের অপরাধে দোষী প্রমাণিত পরীক্ষককে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংশোধনী বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে নম্বর পরিবর্তনের অভিযোগ উঠলে তা যাচাইয়ের জন্য তৃতীয় একজন পরীক্ষকের মাধ্যমে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। নম্বরের অসঙ্গতি নিশ্চিত হওয়ার পরই আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

নতুন আইনটি ১৯৮০ সালের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) অ্যাক্ট’-এর বিভিন্ন ধারা হালনাগাদ করে প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে পরীক্ষা ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল অপরাধের বিরুদ্ধেও কঠোর বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া পরীক্ষার ডাটাবেজে প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন বা পরীক্ষাসংক্রান্ত রেকর্ডে কারসাজি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়া সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি, অপরাধে সহযোগিতা এবং অন্যান্য ডিজিটাল অনিয়মের ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রতি / এডি / শাআ

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

August 2026
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 
20G