সৃজনশীল শিক্ষায় অনন্য ট্রাস্ট কলেজ

প্রথম প্রকাশঃ জুন ১৭, ২০১৫ সময়ঃ ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:১৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

Classদেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সিলেবাস সম্পন্ন করার জন্য কোনো ধরনের পাঠ-পরিকল্পনা অনুসরণ করা না হলেও ব্যতিক্রম ট্রাস্ট কলেজ। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য আরও উপযোগী করে গড়ে তুলতে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ট্রাস্ট কলেজ গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে পাঠদান পরিচালিত করছে।

মুখস্তবিদ্যা, নোট-সংস্কৃতি, পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্ত করা বা সাজেশন নির্ভরশীলতা পরিহার করে শিক্ষার্থীদের পুরো সিলেবাস সম্পর্কে দক্ষ করে তুলতে সর্বদা দৃঢ় প্রত্যয়ী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। সৃজনশীল ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বায়নের উপযোগী, আলোকিত মানুষ ও দক্ষ জাতি গঠনের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ট্রাস্ট কলেজ।

ট্রাস্ট কলেজ কেন ব্যতিক্রম এমন প্রশ্নের উত্তরে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: বর্তমানে ট্রাস্ট কলেজে যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয় তা প্রচলিত শিক্ষা কার্যক্রমের তুলনায় একটু ভিন্ন ধরনের। এখানে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিক্ষা-কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যেখানে প্রচলিত ক্লাসগুলোর সময়কাল ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট, সেখানে ট্রাস্ট কলেজের প্রতিটি ক্লাসের সময়কাল ৬০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা। ১ ঘণ্টাব্যাপী ক্লাসগুলোতে নির্দিষ্ট বিষয়ের খুঁটিনাটি বিষয়ের ওপর বিস্তারিতভাবে আলোকপাত করা হয়। সেই সঙ্গে ক্লাসেই ছাত্র-ছাত্রীদের দুর্বোধ্য বিষয়গুলো শনাক্ত করে তা পুনরায় বুঝিয়ে দিয়ে পড়া দেওয়া ও নেওয়ার পর্বটি সম্পন্ন করা হয়।

Exam-2ক্লাসের পর: ক্লাসের নির্দিষ্ট সময়ের পর দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রতিদিন দুইটি বিষয়ের ওপর গ্রুপস্টাডি অনুষ্ঠিত হয়। গ্রুপস্টাডিতে ৪ জন ছাত্র-ছাত্রী ও ১ জন বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক একত্রে গ্রুপ করে দেওয়া হয়। প্রতি বিষয়ের জন্য সময় ১ ঘণ্টা; গ্রুপস্টাডি প্রোগ্রামে নতুন কোনো অধ্যায় পড়ানো হয় না। এখানে পূর্বের ক্লাসে পড়ানো অধ্যায়ের যে কোনো সমস্যা সমাধান ও আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়।

পাঠ-পরিকল্পনা: ট্রাস্ট কলেজে বোর্ডের দুই বছরের সিলেবাসকে, একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতি বছরকে ৩টি টার্মে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি টার্মের নির্ধারিত ক্লাসের সংখ্যা অনুযায়ী অধ্যায়গুলো সাজিয়ে টার্মভিত্তিক পরিকল্পনা করা হয়। টার্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিদিনের ক্লাস পরিচালিত হয়ে থাকে।

গাইড শিক্ষক/ফর্ম মাস্টার: ট্রাস্ট কলেজে প্রতি ১০ জন ছাত্র-ছাত্রীর জন্য ১ জন গাইড শিক্ষক/ফর্ম মাস্টার নির্ধারণ করা আছে। এ গাইড শিক্ষক/ফর্ম মাস্টার সার্বক্ষণিকভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। সঙ্গে যে কোনো সমস্যায় তাদের পাশে থেকে তা দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। একজন গাইড শিক্ষক প্রতিদিন তার নিজ গাইডের ছাত্র-ছাত্রীর হাজিরা শতভাগ নিশ্চিত করেন। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের পোশাক-পরিচ্ছদ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিয়ম মানা ও প্রতিদিনের পাঠ তৈরির বিষয়ে সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

Lab-3বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক: প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে সাধারণত দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণের সঙ্গে সঙ্গে তার প্রত্যেকটি বিষয়ের জন্য ১ জন করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। ১ জন ছাত্র বা ছাত্রী মোট ৭ জন বিষয়ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের অধীনে থাকে। প্রত্যেক ছাত্র বা ছাত্রীর এ বিষয়ভিত্তিক পাঠদানের কার্যক্রম একজন গাইড শিক্ষক/ফর্ম মাস্টার-এর তত্ত্বাবধানে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

ইন্টারনেট সুবিধাসহ অত্যাধুনিক ল্যাব: ট্রাস্ট কলেজের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এর সুউন্নত ল্যাবরেটরি। এখানে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের ল্যাবগুলো সব ধরনের আধুনিক সরঞ্জামে ভরপুর। রয়েছে ইন্টারনেট ও যুগোপযোগী সব রকম সুযোগ-সুবিধা।

Lab-1পৃথক হোস্টেল সুবিধা: ট্রাস্ট কলেজে ছাত্র এবং ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল সুবিধা রয়েছে। যা পৃথক পৃথক হোস্টেল সুপার দ্বারা সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে সম্মানিত শিক্ষকরা সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে হোস্টেলে অবস্থান করে ছাত্র-ছাত্রীদের তত্ত্বাবধান করে থাকেন।

সহপাঠ ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম: সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সহপাঠেও ট্রাস্ট কলেজের সাফল্য ঈর্ষণীয়। জাতীয় টেলিভিশন ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০১২’তে ট্রাস্ট কলেজ রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে এবং বায়লোজি অলিম্পিয়াডে চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া ভাষা প্রতিযোগ, গণিত অলিম্পিয়াডের মতো বড় বড় প্রতিযোগিতাতেও এ কলেজের রয়েছে সাফল্যের ছোঁয়া। তাছাড়া জাতীয় দিবস উদযাপন, রবীন্দ্র-নজরুল জন্ম জয়ন্তী, বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা, সংগীত, অভিনয়, আবৃত্তি ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক বিভাগ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকশ্রেণি। এছাড়া কলেজের অর্থায়নে কোচিং ও প্রযুক্তিনির্ভর ক্লাস ব্যবস্থা তো রয়েছেই।

Lab-2একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি:

ট্রাস্ট কলেজ- ঊওওঘ: ১৩৪২২১; মাধ্যম: বাংলা ও ইংরেজি (আবাসিক/অনাবাসিক); শাখা ও আসন: বিজ্ঞান-৭০০, ব্যবসায় শিক্ষা-২০০, মানবিক-১০০। আবেদনের ন্যূনতম জিপিএ: বিজ্ঞান-২.০০, ব্যবসায় শিক্ষা-২.০০, মানবিক-১.০০।

ভর্তি হতে ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকগণের সুবিধার্থে অনলাইন অথবা এসএমএস’র মাধ্যমে আবেদনের জন্য সার্বক্ষণিকভাবে চালু রয়েছে ট্রাস্ট কলেজের ফোন, হেল্প ডেস্ক: ০১৭৩০৩২২৬০০-১১। সব রকম ফি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বিস্তারিতভাবে জানতে trustcollege.edu.bd  থেকে Service Manifesto_pdf এবং বিগত বছরগুলোর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের তুলনামূলক বিশ্লেষণ ডাউনলোড করে জানা যাবে।

ঠিকানা: প্লট ২৭, ৩৫ ও ৩৬, রোড ৭, সেক্টর ১৩, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। ফোন:+৮৮০২ ৫৮৯৫০৭২৬, ওয়েব: http://www.trustcollege.edu.bd


আরও যা পরতে পারেনঃ

# ভর্তি জটিলতায় শিক্ষার্থীরা

# বুয়েট শিক্ষকদের দেশ থেকে তাড়াতে হবে

# ১৫ বছর বয়সেই পাবে জাতীয় পরিচয়পত্র

# কোন দিকে যাচ্ছে ছাত্রলীগ (পর্ব-১)

# সৌদি রাজপরিবারের প্রেমের ইতিহাস

# বাংলাদেশের পত্রিকা নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার ক্ষোভ


প্রতিক্ষণ/এডি/নূর/জহির

 

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য

20G