আজ মাওলানা ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী
প্রতিক্ষণ ডেস্ক
আজ ১৭ নভেম্বর। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ৯৬ বছর বয়সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি। তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণ-আন্দোলনের এই নায়ককে টাঙ্গাইলের সন্তোষে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী ও টাঙ্গাইলে তার রাজনৈতিক অনুসারী, ভক্ত ও অনুরাগীরা বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছেন।
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন মাওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেছেন, মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন কাজ করে গেছেন। তিনি মাওলানা ভাসানীর রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে। মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
বাংলাদেশ ওয়াকার্স পাটি, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী পরিষদ, বাংলাদেশ ন্যাপ এবং শহীদ আসাদ পরিষদ ও বাংলাদেশ গরীব মুক্তি আন্দোলনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এ উপলক্ষে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতার মাজারে ওয়াকার্স পাটির শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শহীদ আসাদ পরিষদ ও বাংলাদেশ গরীব মুক্তি আন্দোলনের উদ্যোগে বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সড়ক দ্বীপের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে কবিতা পাঠ, আলোচনা সভা ও গণসঙ্গীতের অনুষ্ঠান। দেশের বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা, গবেষক, রাজনীতিক, কবি, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক এ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
বাংলাদেশ ন্যাপ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপি বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল মহানগরে আলোচনা সভা, মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত, রাজধানীর ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে ভাসানীর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মরণসভা এবং প্রত্যেক জেলায় আলোচনা সভা।
ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি এবং বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি এক বিবৃতিতে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত করা এবং অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অব্যাহত রাখার জন্য আজ মওলানা ভাসানীর মতো নেতার বড় প্রয়োজন।
১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও তাঁর জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। এখানেই চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি।
প্রতিক্ষণ/এডি/এফটি






















