ডায়াবেটিস থাকলে ইফতারে খেজুর—সীমা জানলেই নিরাপদ

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ সময়ঃ ৫:৫৩ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৫:৫৩ অপরাহ্ণ

রোজা ভাঙতে খেজুর খাওয়ার প্রচলন বহুদিনের। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর এটি দ্রুত শক্তি জোগায়। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের মনে প্রশ্ন জাগে—এই মিষ্টি ফল কি রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়িয়ে দেবে?

খেজুরে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের মতো প্রাকৃতিক চিনি থাকে, তাই এটি দ্রুত এনার্জি দেয়। তবে শুধু চিনি নয়, এতে রয়েছে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও। ফলে বিষয়টি পুরোপুরি ক্ষতিকর—এমন বলা যায় না; বরং কতটা খাওয়া হচ্ছে এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা কেমন, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

পুষ্টিবিদদের মতে, খেজুরের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সাধারণত মাঝারি থেকে কম পর্যায়ে থাকে। অর্থাৎ অল্প পরিমাণে খেলে এটি খুব দ্রুত রক্তে শর্করা বাড়ায় না। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা সম্পূর্ণভাবে খেজুর এড়িয়ে চলবেন—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

তবে নিয়ন্ত্রণই এখানে মূল কথা। ইফতারে একটি মাঝারি আকারের খেজুর দিয়ে শুরু করা নিরাপদ ধরা হয়, যদি দিনের মোট খাদ্যতালিকা ভারসাম্যপূর্ণ থাকে। একসঙ্গে তিন–চারটি খেলে শর্করা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

খেজুর খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত মিষ্টি শরবত বা ডেজার্ট না খাওয়াই ভালো। বরং পানি পান করে ডাল, ছোলা, ডিমের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে রক্তে শর্করার হঠাৎ ওঠানামা কমে।

যাদের ব্লাড সুগার আগেই অনিয়ন্ত্রিত বা ইনসুলিনের ডোজ ঠিকমতো সমন্বয় হয়নি, তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রোজার সময় নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করাও জরুরি।

সব মিলিয়ে, ডায়াবেটিস থাকলেও খেজুর পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়—তবে পরিমিতি ও সচেতনতাই নিরাপদ থাকার চাবিকাঠি।

প্রতি / এডি /শাআ

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

September 2026
SSMTWTF
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930 
20G