ডিভোর্সের গুজব উড়িয়ে দিলেন রিচি

প্রকাশঃ জুলাই ২৬, ২০১৫ সময়ঃ ১২:২২ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৩:৩৭ অপরাহ্ণ

বিনোদন ডেস্ক

richi6কিছুদিন আগে টিভি অভিনেত্রী রিচির স্বামী রাশেকুর রহমান মালিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মেইল করে জানান, রিচির সঙ্গে তিনি আর সংসার করতে আগ্রহী নন। রিচির বিরুদ্ধে নানা ধরণের অভিযোগও তিনি তুলে ধরেন সে চিঠিতে। কিন্তু এ বিষয়টিকে মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিলেন রিচি। রিচির অভিযোগ মেইলটি তার আমেরিকা প্রবাসী স্বামী পাঠান নি। পাঠানো হয়েছে দেশ থেকে। প্রশাসনের সহযোগিতায় নাকি এমন তথ্যই আবিস্কার করেছেন রিচি।

সম্প্রতি নিজের সংসার ভাঙ্গার গুজবের পেছনের ব্যাখ্যা দিলেন রিচি।

রিচি বলেন, ‘মানুষের কাছে একটা বিভ্রান্তি তৈরী হয়েছে। গত ২ জুলাই কে বা কারা আমার স্বামীর নামে ভূয়া একাউন্ট খুলে সব পত্রিকায় আজেবাজে কথা লিখে মেইল করে। এটা আমার স্বামী করেনি। আমি পুলিশের মাধ্যমে র‌্যাব এবং ডিজিএফআইর সহযোগিতায় আইপি এড্রেস বের করে এতটুকু নিশ্চিত হয়েছি যে এটা বাংলাদেশ থেকে হয়েছে। কোথা থেকে করেছে, কে করেছে আমি তা জানি না। এটা নিয়ে কিছু গণমাধ্যম আমার সঙ্গে কথা না বলেই সংবাদ প্রচার করে। যা সত্যি নয়। আমার স্বামীর সঙ্গে প্রতিদিন তিন-চার ঘন্টা ধরে কথা হচ্ছে। অথচ এখন আমার আত্মীয়-স্বজন সবার কাছে আমার কথা শুনতে হচ্ছে। আমি খুব অপদস্থ হয়েছি। সবাই আমাকে করুনার ভঙ্গিতে বলছে যে-ওহ স্যরি তোমার হাজব্যান্ড তোমাকে ছেড়ে দিচ্ছে..’

রিচি বলছেন, তার স্বামী রাশেকুর রহমান মালিক এ প্রসঙ্গে আগে থেকে কিছুই জানতেন না। ঘটনার দিন তিনি কোর্টে ছিলেন। ওইদিন দেশ থেকে প্রচুর ফোন গেলেও ব্যস্ত থাকায় ফোন ধরতে পারেন নি রাশেক। তিনি তাৎক্ষনিক ঘটনার কারন অনুধাবনে ব্যর্থ হন। পরে রিচির সঙ্গে কথা বলে কারনটি জানতে পারেন রাশেক।

তবে স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যের কথা স্বীকার করে রিচি বলেন, ‘স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হতেই পারে। মনোমালিন্য কার মধ্যে হয় না। আমার মা-বাবার মধ্যে মনোমালিন্য হয়নি? আপনার মা-বাবার মধ্যে মনোমালিন্য হয়নি?’

riccciতবে এসব মনোমালিন্যের জের ধরে চাইলেও তার স্বামী তাকে সহজে ডিভোর্স দিতে পারবেন না বলে মনে করেন রিচি সোলায়মান। উদাহরণ দিয়ে রিচি বলেন, আমার বাচ্চাটা আমেরিকার বর্ন সিটিজেন। আমাকে ডিভোর্স দিতে হলে রাশেক মরে যাবে। ওর বাড়ি-গাড়ি ওর সবকিছু আমাকে দিয়ে দিতে হবে। ওর সবকিছু শেষ হয়ে যাবে। আমেরিকায় ডিভোর্স এত সহজ না। বাংলাদেশে যেমন কাগজ পাঠিয়ে দিলে তিন মাসের মাথায় তা কার্যকর হয়ে যায় ওখানে তেমন না। এটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। পাঁচ থেকে সাত বছর সময় লাগে। তারপর বাচ্চার নামে অর্ধেক সম্পত্তি লিখে দিতে হয়।’

২০১০ সালের ১ অক্টোবর ছেলে সন্তানের বাবা-মা হন তাঁরা। ছেলের নাম রাখেন রায়ান রিদোয়ান মালিক।

ডিভোর্সের খবরে সবাই যেন তাকে ভুল না বোঝেন এ ব্যাপারে অনুরোধ করেন রিচি।

 

প্রতিক্ষণ/এডি/সাদিয়া

আরো সংবাদঃ

[fbcomments]

আর্কাইভ

July 2026
SSMTWTF
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
20G