বায়তুল মোকাররমের পথে কোকোর মরদেহ, সঙ্গে হাজার হাজার নেতাকর্মী
নিজস্ব প্রতিবেদক,প্রতিক্ষণ ডটকম :
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। বেলা ২টা ৫০ মিনিটের দিকে অ্যাম্বুলেন্স বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় ত্যাগ করে। হাজার হাজার নেতাকর্মীও মরদেহের বহরের সঙ্গে বায়তুল মোকাররমের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।
এরআগে খালেদা জিয়া তার ছোট ছেলের মরদেহ দেখেন। এসময় তার চোখ থেকে অঝোরে অশ্রু পড়তে দেখা গেছে। মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে কোকোর মরদেহ গুলশানে নেওয়া হয়। সেখানে বিএনপির কয়েক হাজার নেতা-কর্মী জড়ো হন। মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি গুলশান কার্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে ঢোকানো হয় বেলা পৌনে ২টার দিকে।
এরপর খয়েরি রঙের কফিনটি নিচ তলার একটি কক্ষে রাখা হয়। কফিন খোলার পর একটি গিলাফ দিয়ে কোকোর মরদেহ ঢেকে দেওয়া হয় । কিছুক্ষণ পর খালেদা জিয়ার দুই ভাবি দুই পাশ থেকে ধরে অশ্রুসিক্ত খালেদা জিয়াকে নিচে নামিয়ে আনেন।
এরআগে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ বহনকারী ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে। কোকোর স্ত্রী, দুই মেয়ে, মামা শামীম এস্কান্দারও একই ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। পরে নেতা-কর্মীদের বেষ্টনির মধ্যে কোকোর মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স গুলশানে নিয়ে যাওয়া হয়।
গত শনিবার দুপুরে মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। তিনি সাত বছরের বেশি সময় ধরে দেশের বাইরে নির্বাসিত জীবন যাপন করেছেন। দীর্ঘ সময় পর কোকো ফিরেছেন তার জন্মভূমিতে তবে লাশ হয়ে।
তার মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। বিএনপি কোকোর মৃত্যুতে তিন দিনের শোক কর্মসূচি পালন করছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকালে সারা দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে গায়েবানা জানাজা। এদিকে ঢাকায় সামরিক কবরস্থানে কোকোর লাশ দাফনের আবেদন করা হলেও অনুমতি পাওয়া যায়নি।
বিমানবন্দরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান সাংবাদিকদের বলেন, নিয়ম মেনেই একজন সাবেক সেনা প্রধানের ছেলে হিসেবে কোকোর লাশ সামরিক বকরস্থানে দাফনের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সন্তানদের সেখানে দাফন করতে আগে অনুমতি দেয়া হয়েছে।
প্রতিক্ষণ/এডি/সেজান


















