বেরোবি প্রশাসনের গাফিলতি

প্রকাশঃ নভেম্বর ৩০, ২০১৫ সময়ঃ ৮:৪৩ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

rangpurরংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্রদের জন্য নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও শহীদ মুখতার এলাহী হল চালুর এক মাস পেরুতে না পেরুতেই আবাসিক শিক্ষার্থীরা সম্মুখীন হচ্ছেন নানা মুখী সমস্যায়। ভর্তুকি না থাকায় নিম্নমানের খাবার, বিষাক্ত পোকা-মাকড়েরর কামড়ে শরীরের বিভিন্ন স্থান ফুলে যাওয়া, বিশুদ্ধ পানির অভাবের মতো বিভিন্ন সমস্যায় দিনাতিপাত করছেন এ দুটো হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। এ ব্যাপারে হল প্রশাসনকে একাধিকবার অবহিত করার পরও কোন সমাধান মিলেনি বলে অভিযোগ আবাসিক শিক্ষার্থীদের।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী গিয়াসউদ্দিন সাব্বির (লোক প্রশাসন বিভাগ) জানান, ‘হল চালু হওয়ার কথা ছিলো ২০১১ সালে কিন্তু তা চালু হলো ২০১৫ সালে। এরপরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হলে ভর্তুকির কোন আবেদন করেনি ইউজিসির কাছে। আর এখন এই অজুহাতে হলে কোন ভর্তুকি দিচ্ছেন না। ফলে আমাদের খেতে হচ্ছে নিম্নমানের খাবার।’

হলের আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী শাফিউল ইসলাম (ইতিহাস বিভাগ) অভিযোগ করে বলেন, ‘হল চালুর এক মাস পার হলেও আমাদের আধুনিকতার ছোয়া থেকে দূরে রেখেছে হল প্রশাসন। কারণ এখনো হলে টেলিভিশন দেওয়া হয়নি।’

অপর দিকে শহীদ মুখতার এলাহী হলেও চলছে একই সমস্যা। সেখানকার শিক্ষার্থীরাও এই সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হচ্ছেন। শহীদ মুখতার এলাহী হলের শিক্ষার্থী রমজান আলী (লোক প্রশাসন বিভাগ) জানান, ‘ হলের পানি ব্যবহার করার ফলে আমাদের অনেকেরই বিভিন্ন ধরণের চর্ম রোগ দেখা দিচ্ছে। আমরা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করার জন্য হল প্রশাসনকে অনেক বার বলেছিলাম কিন্তু কোন কাজ হয়নি।’

আরেক শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, হলে খাবারের অবস্থা খুব ভাল না। এছাড়াও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় খাবার পরিবেশনে সমস্যা হচ্ছে এবং হলে ভুর্তুকি দেয়ার ব্যাপাওে জোড় দাবি জানান।

বঙ্গবন্ধ হলের প্রভোস্ট কমলেশ চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা আশে পাশের ঝোপ-ঝাড় পরিস্কার করছি। এমনকি বিশুদ্ধ পানির জন্য হলের ভেতরে টিউবয়েল দিয়েছি।’ ভর্তুকির ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ইউজিসি থেকে আমাদের হলে কোন ভর্তুকি নাই। তাই এখন ছেলেদের ৪০ টা করে মিল চার্জ নিয়ে আমরা তিন বেলা খাওয়ানোর চেষ্টা করছি। তবে সামনের বাজেটে ভর্তুকির জন্য আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অধ্যাপক নুর উন নবী ।’

অপর দিকে শহীদ মুক্তার ইলাহী হলের প্রভোস্ট আমির শরীফ বলেন, ‘ ছাত্রদের যে কোন সমস্যা সমাধানে আমি পাশে আছি। আর বঙ্গবন্ধ হলে যে সমস্যাগুলো হচ্ছে এ হলে যাতে না হয় সেদিকটাও খেয়াল রাখছি।

উল্লেখ্য যে,৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু হল এবং ২৮ অক্টোবর শহীদ মুখতার এলাহী হল খুলে দেওয়া হয়।
প্রতিক্ষণ/এডি/এআরকে

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G