নূর হোসেনকে জিজ্ঞেস করলেই খবর মিলবে অর্থ যোগানদাতার
প্রতিক্ষন ডেস্ক
না
রায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত হত্যার প্রধান আসামি নূর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই খুনের পেছনে টাকা বিনিয়োগকারীদের নাম বেরিয়ে আসবে। হত্যাকারীদের কার কার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা দেওয়া হয়েছে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার রাতে নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি এ কথা বলেন।
নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের শ্বশুর সিদ্ধিরগঞ্জের শিমুলপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল্লাহ সাত খুন ঘটনার পর থেকেই প্রকাশ্যে বলে বলে আসছেন, তাঁর জামাতা নজরুল ইসলামকে হত্যার জন্য নূর হোসেন ছয় কোটি টাকা নারায়ণগঞ্জের কতিপয় র্যাব সদস্যদের দিয়েছেন। সেই টাকার বিনিময়ে নজরুলকে হত্যা করতে গিয়ে সাতজনকে হত্যা করেছে তাঁরা।
আর নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বলছেন, ‘এত মোটা অঙ্কের টাকা নূর হোসেনের একার না। তাঁর সঙ্গে আরো কয়েকজন ছিলো। সবাই মিলে এ টাকার যোগান দিয়েছে’।
এ কারণেই মামলায় নূর হোসেনকে প্রধান করে তাঁর সহযোগী সিদ্ধিরগঞ্জ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া, নূর হোসেনের ক্যাশিয়ার হাসমত আলী হাসু, নূর হোসেনের সহযোগী আমিনুল হক রাজু, আনোয়ার হোসেন আশিক ও ইকবালকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামির নাম বাদ দিয়ে নূর হোসেন, তাঁর ৯ সহযোগী এবং তিন কর্মকর্তাসহ ২৫ র্যাব সদস্য, মোট ৩৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিকে বাদ দেওয়ায় মামলার বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি আদালতে নারাজির দরখাস্ত করলে প্রথমে নিন্ম আদালত, পরে সেশন আদালতে তা খারিজ হয়ে যায়।পুনরায় তারা উচ্চ আদালতে নারাজির আবেদন করার কথা ভাবছেন বলে জানালেন বাদীর আইনজীবী সাখাওয়াত হোসেন খান।
সেলিনা ইসলাম বিউটি আরো বলেন, ঠিকাদারি ব্যবসা নিয়ে নূর হোসেনের সঙ্গে তাঁর স্বামী নজরুলের বিরোধ চলছিল। হত্যার কিছুদিন আগে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজ এলাকায় একটি রাস্তা এবং ড্রেনের কাজ করার সময় নূর হোসেনের এক আত্মীয়ের দোকান ভাঙ্গা পড়ায় প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে নজরুলকে ধাওয়া করে নূর হোসেনের সহযোগীরা। সেদিন নূর হোসেন ঘোষণা দেয়, নজরুলকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার।
প্রতিক্ষণ/এডি/বিএ






















