ভারত যাচ্ছে ইউনিভার্সেল থিয়েটার
নিজস্ব প্রতিবেদক
পশ্চিম বঙ্গের নদীয়ার কল্যাণী নাট্য ভাবনার আমন্ত্রণে মহাত্মা নিয়ে আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে অংশ নিতে ভারত যাচ্ছে ইউনিভার্সেল থিয়েটার। সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবে আরো অংশ নেবে কলকাতার বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় নাট্যদল।
আগামী ৩ ডিসেম্বর ভারতের উদ্দেশে রওনা হবেন ইউনিভার্সেল থিয়েটার।
কল্যাণীর ঋত্বিক সদনে ৬ ডিসেম্বর নাটকটি মঞ্চস্থ হবে। উপমহাদেশের রাজনৈতিক ঘুণাবর্তের জটিল ক্রমধারায় ১৯৪৬ সালের ১০ অক্টোবর নোয়াখালিতে দাঙ্গা বেঁধেছিলো। ভারতবর্ষের সাম্প্রদায়িক ঐক্যকে বিনষ্ট করার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল এর পেছনে। সুবিধাবাদী ও ধর্মান্ধরা সামরিক আক্রমনের কায়দায় সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। সেতু, রাস্তা, ডাকঘর নষ্ট করে। পেট্রল ছড়িয়ে আগুন লাগায় গ্রামের পর গ্রাম। ব্যাপক লুট, নরহত্যা, নারীহরণ, নারী নির্যাতন করা হয়। সাধারন মানুষের একমাত্র ভরসা মহাত্মা গান্ধীর কাছে যখন এ সংবাদ পৌছায় তখন তিনি অসহায় মানুষের চিন্তায় অস্থির হয়ে ওঠেন। মাত্র দু’জন সঙ্গী নিয়ে অসুস্থ শরীরেই রওনা হন নোয়াখালি উদ্দেশ্যে। গান্ধীজী স্মরণ করিয়ে দেন যে, আমরা নিছক পশু নই- আমরা মানুষ। গান্ধীজী সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘোর অন্ধকারের মধ্যে অহিংসার আলোর সন্ধানে নামলেন।
গান্ধীজীর অহিংস পৃথিবীর অনন্ত যাত্রায় কোথায় আজ আমাদের অবস্থান? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সমকালীন প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ইতিহাসের সেই অবিস্মরনীয় অধ্যায়ের একটি অংশের রূপক ঘটনার ভেতর দিয়ে লেখা নাটক ‘মহাত্মা’। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আবুল কালাম আজাদ, শওকত মনসুর রিয়াদ, আবুল হোসেন খোকন, মাজহারুল হক পিন্টু, সুমী ইসলাম, দীন ইসলাম শ্যামল, আবদুল ওয়াদুদ প্রমুখ। রচনা ও নির্দেশনায় মাজহারুল হক পিন্টু।
প্রতিক্ষণ/এডি/এআরকে
























