ডায়েটের সময়ও ঝালমুড়ি খেতে চান? জেনে নিন ডায়েটবান্ধব সহজ রেসিপি
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে অনেকেই কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলেন। তাই চাল থেকে তৈরি মুড়ি ডায়েটের তালিকায় রাখা উচিত কি না, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক উপায়ে খেলে ডায়েটের সময়ও মুড়ি খাওয়া সম্ভব।
বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ঘরোয়া খাবারের মধ্যে মুড়ি বেশ জনপ্রিয়। সকালের নাশতা থেকে বিকেলের হালকা খাবার কিংবা ঝালমুড়ি, নানা ভাবেই এটি খাওয়া হয়। তবে ডায়েটের সময় কীভাবে এটি খাচ্ছেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
পুষ্টিবিদ মঞ্জিরা সান্যালের মতে, ডায়েট করার সময় যেমন ভাত পুরোপুরি বাদ দিতে হয় না, তেমনি মুড়িও সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে এবং অতিরিক্ত তেল বা উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত উপকরণ ব্যবহার করা যাবে না।
স্বাস্থ্যকর ঝালমুড়ি তৈরির উপকরণ
- ২ কাপ (প্রায় ৩০ গ্রাম) মুড়ি
- ১/৪ কাপ শুকনো ভাজা ছোলা
- ১/৪ কাপ সেদ্ধ ছোলা
- ১ টেবিল চামচ ভাজা চিনাবাদাম
- ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুচি
- ২ টেবিল চামচ শসা কুচি
- ২ টেবিল চামচ টমেটো কুচি
- ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
- ১ টেবিল চামচ লেবুর রস
- আধা চা চামচ জিরার গুঁড়া
- ১ চা চামচ সরিষার তেল
- স্বাদমতো লবণ
প্রস্তুত প্রণালি
একটি বড় পাত্রে সব উপকরণ একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্বাস্থ্যকর ডায়েট ঝালমুড়ি।
পুষ্টিগুণ
পুষ্টিবিদের তথ্য অনুযায়ী, এভাবে তৈরি এক বাটি ঝালমুড়িতে প্রায় ১৯৫ থেকে ২০০ ক্যালোরি, ৬ থেকে ৭ গ্রাম প্রোটিন এবং ৪ থেকে ৫ গ্রাম খাদ্যআঁশ (ফাইবার) পাওয়া যায়। ফলে এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে।
যেসব বিষয় এড়িয়ে চলবেন
ডায়েটের সময় ঝালমুড়িতে চানাচুর, ভুজিয়া বা অতিরিক্ত ভাজাপোড়া উপকরণ না মেশানোই ভালো। কারণ, এক মুঠো চানাচুর বা ভুজিয়া যোগ করলেই প্রায় ১০০ থেকে ১৪০ অতিরিক্ত ক্যালোরি যুক্ত হতে পারে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।
পরিমিত পরিমাণে এবং পুষ্টিকর উপকরণ দিয়ে তৈরি ঝালমুড়ি তাই ডায়েট মেন্যুতেও একটি স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু বিকল্প হতে পারে।
প্রতি / এডি / শাআ













