স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করবে পুদিনা চা

প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৫ সময়ঃ ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, প্রতিক্ষণ ডটকম:

pudina-tea-bnপুদিনা পাতার সাথে রাঁধুনিরা প্রায় সকলেই কমবেশী পরিচিত। খাবারে একটু ভিন্ন স্বাদ যোগ করতে এবং পুদিনার ফ্লেভারের জন্য এই পুদিনা পাতা অনেক খাবারে ব্যবহার করা হয়।

অনেকেই পুদিনা পাতার তৈরি চা পান করতে পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি জানেন কি এই পুদিনা পাতার চা আমাদের দেহের জন্য কতোটা স্বাস্থ্যকর? প্রতিদিন মাত্র ১ কাপ পুদিনা পাতার চা মারাত্মক কিছু রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

চলুন তাহলে জেনে নিই পুদিনা পাতার রোগ প্রতিেরাধ ক্ষমতা সম্পর্কে।

১ উচ্চ রক্ত চাপ দূর করে:

পুদিনা পাতা পটাশিয়ামে ভরপুর, এতে করে উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা কমায় এবং হার্টবিটের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে থাকে।

২. মুখের নানা ইনফেকশনের সমস্যা সমাধান করে:

পুদিনা পাতার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে বিশেষ ভাবে সহায়ক। পুদিনা পাতার চা পানে মুখের ইনফেকশন জনিত সমস্যা দূর হয় এবং নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

৩. দেহের নানা অঙ্গের ব্যথা দূর করে:

মাথা ব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা এমনকি পেটে ব্যথার মতো সমস্যাও দূর করতে সহায়তা করে পুদিনা চা।

৪. বিষণ্ণতা দূর করে:

পুদিনা পাতার চায়ের রয়েছে মানসিক চাপ দূর করে মস্তিষ্ক রিলাক্স করার জাদুকরী ক্ষমতা। মানসিক চাপের পাশাপাশি এটি দূর করে বিষণ্ণতার সমস্যাও।

৫. স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে:

গবেষণায় দেখা যায় পুদিনা পাতার সুঘ্রাণ মস্তিষ্ককে সজাগ, সচেতন রাখে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নতিতে সহায়তা করে। শুধুমাত্র পুদিনা পাতার ঘ্রাণ নেয়াই মস্তিষ্কের জন্য বেশ ভালো।

৬. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে:

পুদিনার মেন্থল নামক উপাদান নানা ধরণের ক্যান্সারের কোষ দেহে গঠন হতে বাঁধা প্রদান করে, বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যান্সার।

৭ বমি বমি ভাব সমস্যার সমাধান করে:

অনেকেই নানা কারণে বমি ভাবের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এমন অবস্থায় খাওয়া দাওয়া করা যায় না একেবারেই। এই বমি ভাবের সমাধান করে দেবে পুদিনা চা।

৮. অ্যাজমা এবং অন্যান্য শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূরে রাখে:

পুদিনার অসাধারণ ঘ্রাণ শ্বাসপ্রশ্বাস নালীর নানা সমস্যা জনিত রোগ দূর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পুদিনা চা পানে অ্যাজমা সহ শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাও দূর হয়।

প্রতিক্ষণ/এডি/শিমু

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য

20G