এলএনজি টার্মিনাল চালু, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আবারও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোর ৩টা ১০ মিনিট থেকে টার্মিনালটি ঘণ্টায় ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে মোট এলএনজি সরবরাহ বেড়ে ৬৬২ এমএমএসসিএফডিতে পৌঁছেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে টার্মিনালটির সরবরাহ সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এটি পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হলে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে আরও উন্নতি আসতে পারে।
এর আগে টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রায় দুই সপ্তাহ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দেয়।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন আবাসিক গ্রাহকরা। রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘ সময় গ্যাসের চাপ কম ছিল বা একেবারেই গ্যাস পাওয়া যায়নি। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা বা রাইস কুকারে রান্না করেছে, আবার কেউ বাইরে থেকে খাবার কিনে প্রয়োজন মেটিয়েছেন।
গ্যাসের স্বল্পতা শিল্প খাতেও প্রভাব ফেলেছে। অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। একই সময়ে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায় এবং কিছু স্টেশন সাময়িকভাবে সেবা সীমিত রাখে।
জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টদের আশা, এলএনজি টার্মিনালটি পুরো সক্ষমতায় চালু হলে আবাসিক, শিল্প ও সিএনজি খাতে গ্যাস সরবরাহ ধাপে ধাপে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। এতে সাম্প্রতিক সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
প্রতি / এডি / শাআ























