জাবিতে অনুত্তীর্ণ পোষ্যদের ভর্তি না করার সিদ্ধান্ত

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৫ সময়ঃ ৫:৩৮ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৫:৪১ অপরাহ্ণ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, প্রতিক্ষণ ডটকম:

jabiজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায়  অনুত্তীর্ণ ৯৬ জন পোষ্যদের অতিরিক্ত নম্বর (গ্রেস) দিয়ে ভর্তি না করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এবং ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী প্রতিক্ষণ ডটকমকে এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ‘অনুষদ ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনার পর আমরা গ্রেস দিয়ে ভর্তি না করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। পাশাপাশি আসন নির্দিষ্ট করা, সব কোটা প্রতিযোগিতার আওতায় আনা এবং কোটায় ভর্তির জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানাচ্ছি আমরা।

দাবি পূরণ হওয়ায় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ‘সাধরণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারের শিক্ষার্থীরাও। পাশাপাশি অন্যান্য কোটার সঙ্গে সামঞ্জস্যতা রেখে পোষ্য কোটার আসন সংখ্যা সুনির্দিষ্ট করার পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে চলমান আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন তারা।

তবে এ সিদ্ধান্ত  মেনে না নিলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার কথা ভাবছে ‘কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ’। মঙ্গলবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

এর আগে পোষ্য কোটায় অনুত্তীর্ণদের ভর্তি চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ’। সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ছাত্র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনের পর তারা প্রশাসনিক ভবনের অভিমুখে পদযাত্রা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর তিন দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় পোষ্য কোটায় ১৩৯ জনের মধ্যে ৩৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয় মাত্র ৪৩ জন। অনুত্তীর্ণ ৯৬ জন পোষ্যকেও ভর্তি করাতে ইতোমধ্যে আন্দোলন কর্মসূচী পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে তাদের আন্দোলনকে ‘অযৌক্তিক’ দাবি করে নানা কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

প্রতিক্ষণ /এডি/রাকিব

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

September 2026
SSMTWTF
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930 
20G