ডায়েটিং ছাড়াই মেদ কমানোর উপায়
বাড়তি মেদ নিয়ে অনেকেই মহা দুশ্চিন্তায়। মেদ কমাতে খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে নতুন সমস্যাও ডেকে আনেন কেউ কেউ৷ অথচ খাওয়া-দাওয়া না কমিয়ে, অর্থাৎ ‘ডায়েট’ না করেও কিন্তু মেদ কমানো যায়।
অট্টহাসি
দিনে দশ মিনিট করে জোরে জোরে হাসলেও মেদ কমে৷ হাসলে নাকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, রক্তপ্রবাহেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। রীতিমতো গবেষণা করে তা জানা গেছে। গবেষকরা বলছেন, প্রাপ্তবয়স্করা দিনে সাধারণত আটবারের মতো হাসেন, অন্যদিকে কোনো কোনো শিশু নাকি তিনশ’বার পর্যন্ত হাসে।
নিয়মিত ঘরের কাজ
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট করে ঘরের সাধারণ কাজগুলো করলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়। ঘরের মেঝে পরিষ্কার করা, বিছানার চাদর বদলানো- এ ধরণের কাজগুলো করলেও মেদ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ তো করা যায়ই, এমনকি মেদও কমানো যায়।
মশলাযুক্ত খাবার পরিহার
খাবারে যত কম মশলা থাকবে ততই ভালো। মশলায় যে অ্যালকালয়েড থাকে তা মেদ বৃদ্ধিতে সহায়ক৷ তাই মশলাযুক্ত খাবার যত ভালোই লাগুক, মেদ কমাতে চাইলে সেরকম খাবার কম খাওয়াই উত্তম। তবে মরিচ এবং দারুচিনির উপকার আছে৷ এগুলো রক্তে চিনির মাত্রা কমায়৷ দারুচিনি তো মেদও কমায়।
বাস, ট্রেনে চড়া
এসি লাগানো গাড়িতে বসে কর্মস্থলে যেতে খুব আরাম, তবে তাতে কিন্তু মেদ বাড়ে। পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াতের ধকল সহ্য করুন দেখবেন তাতেও মেদ খুব একটা বাড়ছেনা। দৌড়ে বাস, ট্রেন ধরার মতো প্রাত্যহিক ধকল দিনে ৩০ মিনিট সহ্য করলে নাকি ২৭০ ক্যালরি মেদ ক্ষয় হয়৷
হরর মুভি
ওয়েস্টমিনস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলছেন, হরর মুভি বা ভৌতিক ছবি দেখলেও নাকি মেদ কমে। তাঁরা বলছেন, একটা ভৌতিক ছবি দেখলে ১৩৩ ক্যালরি মেদ ধ্বংস হয়। তাঁরা জানিয়েছেন, ভীতিকর দৃশ্য দেখার সময় শরীর থেকে অ্যাড্রেনালিন নিঃসরন বেড়ে যায়৷ এ প্রক্রিয়ায় চর্বিও গলে যায়।
প্রতিক্ষণ/এডি/পাভেল
























