সাইপ্রাসের সিডিএ কলেজে সরাসরি ভর্তি ও ভিসার ব্যবস্থা
প্রতিক্ষণ ডটকম:
ঔপনিবেশিকতার নাগপাশ অতিক্রম করে ১৯৬০ সালে স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে সাইপ্রাস। জাতীয় রাজস্বের সিংহভাগই আসে পর্যটন খাত থেকে। সাইপ্রাস ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত হওয়ায় এর শিক্ষার মান ইউরোপসহ সমগ্র বিশ্বে সমাদৃত। দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে দেশটিতে বিরাজ করছে চমৎকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা।২০০৮-০৯ অর্থবছরে দুই হাজারেরও বেশি বাংলাদেশী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে সাইপ্রাস এসেছে। মাঝখানে সাইপ্রাস সরকার বাংলাদেশী ছাত্রদের ভিসাপ্রক্রিয়া জটিল করতে বাধ্য হয়েছিল,যা বর্তমানে নতুন নীতির অধীনে অনেক শিথিল করা হয়েছে। সাইপ্রাসে সঠিক প্রক্রিয়ায় যে কেউই আবেদন করুক, ভিসা নিশ্চিত। শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি সাপ্তাহিক ২০ ঘণ্টা এবং অবসরকালীন সময়ে ৩৮ ঘণ্টা কাজের সুযোগ পেয়ে থাকে।
অথচ ব্যয় বাড়ি ভাড়া, টেলিফোন বিল, খাবার ও যাতায়াত খরচ বাবদ সাকুল্যে ২৬০ ইউরো মাত্র। বাংলাদেশী ছাত্ররা এরই মধ্যে সাইপ্রাস জনগণের আস্থা অর্জনে সমর্থ হয়েছে। যে কারণে এখন প্রচুর ভিসাও হচ্ছে।
সাইপ্রাসে রয়েছে হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা শিক্ষা অথবা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ওপর শিক্ষা গ্রহণের অবাধ সুযোগ এবং ক্রেডিট ট্রান্সফারের চমৎকার ব্যবস্থা। এখানে সিডিএ কলেজের পাশাপাশি রয়েছে মানসম্মত ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ক্যাম্পাস।
ভিসাসংক্রান্ত তথ্য : নতুন নিয়মে যোগ্যতাসম্পন্ন ছাত্রদের সাইপ্রাস দূতাবাস কর্তৃক এখন আর কোনো সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয় না। তাই শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, মেডিকেল সার্টিফিকেট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও ব্যাংক সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপিসহ আবেদন করলেই হলো।
প্রতিক্ষণ/এডি/হানিফ
























