বুয়েটের ৫ শিক্ষার্থীকে শাস্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নিয়মবহির্ভূত’ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পাঁচ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন শাস্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তাঁদের মধ্যে একজনকে এক টার্ম পরীক্ষা ও হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দুজনকে শুধু হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বাকি দুজনকে সতর্ক করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এক টার্ম পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে আতিকুর রহমান রিয়াদকে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ইকবাল মাহমুদ ও তারেক রেজাকে। মোফাক্কির ইসলাম রাফি ও লুৎফর রহমানকে সতর্ক করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রবিবার রাতে শিবিরকর্মী সন্দেহে বুয়েটের নজরুল ইসলাম হল থেকে ৯ শিক্ষার্থীকে চিহ্নিত করে আটকে রাখেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। গতকাল সকালে তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করা হয়। বিকেলে একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে ৯ জনের মধ্যে পাঁচজনকে শাস্তি দেওয়া হয়। অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বুয়েটের বিভিন্ন হলে শিবিরকর্মীরা তৎপর রয়েছে। রবিবার মধ্যরাতে যন্ত্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তারেক রেজাকে শিবিরকর্মী সন্দেহে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরো আটজনকে শিবিরকর্মী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পরে সকালে তাদের প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করা হয়।
শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, লেখাপড়ার বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নিয়মবহির্ভূত’ কাজ করায় পাঁচ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল ও কিছু বই জব্দ করা হয়েছে। সেগুলো ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
তবে শাস্তিপ্রাপ্তরা ‘নিয়মবহির্ভূত’ কী কাজে জড়িত ছিলেন-এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রকল্যাণ পরিচালক বলেন, “এ ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলতে হবে। আপনি আসুন। কথা বলা যাবে।”
প্রতিক্ষণ/এডি/তাফ
























