তরুণ সাংবাদিকদের বরণ করে নিলো স্ট্যামফোর্ড

প্রকাশঃ নভেম্বর ১৮, ২০১৫ সময়ঃ ১১:২১ পূর্বাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১১:২১ পূর্বাহ্ণ

স্ট্যামফোর্ড প্রতিবেদক

sta 2ডিপার্টমেন্টে ঢুকতেই লাল গালিচার সম্ভাষণ। চারদিকে সাজসাজ রব। প্রতিটি দেয়ালে যেন চিরনতুনের আবহ। কোথাও আবার স্থির চিত্রের আলপনা। রঙ, ছবি, আলোর ক্যানভাসের সবটুকু আয়োজন শুধুই নবীনকে বরণ করে নেবার।

স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ধানমন্ডি ক্যাম্পাসে সাংবাদিকতা বিভাগে যে ঢুকেছেন তিনিই অবাক হয়েছেন।ডিপার্টমেন্টের এমন সব আয়োজন ও নবরূপের পরিবেশ দেখে। আর এ আয়োজনের পুরো কৃতিত্ব সাংবাদিকতা বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের। যারা নতুন কিছু করতে বরাবরই একধাপ এগিয়ে।

তবে গল্পটা শুধু ৫৪রই নয়, ৫৯ এরও। আরো বিস্তৃত করে বললে গোটা ডিপার্টমেন্টের। ৫৯ বরণের দিনে ক্যাম্পাসে যেমন কোলাহল ছিলো, তেমনি ছিলো নতুন কিছু ভাবনার আবেশ। প্রতিটি শিক্ষার্থী এদিন নতুন করে ভাবতে শেখার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গিয়েছেন। এগিয়ে যাবার পথে সবাইকে উদ্দীপ্ত করতে যুক্ত হয়েছিলেন ইউনিভার্সিটির ভিসি ড. ফিরোজ আহমেদ।

যার কথাগুলো অনুষ্ঠানকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ড. কাজী আব্দুল মান্নান শুনিয়েছেন দৃঢ় মনোবলে এগিয়ে যাবার কৌশলের কথা। আর ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের সরব উপস্থিতি যুগিয়েছে সাহস।sta

কথা থাকবে আর গান থাকবে না, তা কি হয়? একদমই নয়। তাইতো সাংস্কৃতিক পর্বে পরিবেশিত হয় গান। ছন্দের মূর্ছনা সবাইকে করে অভিভূত।

এরপর নাচ, কবিতা, কৌতুকাভিনয়! সবই পরিবেশিত হয় নানা আঙ্গিকে। দর্শকের মুগ্ধতার মাত্রা আরো কিছুটা বাড়িয়ে দিতে এসডিএফের বিতার্কিকরা হাজির হন রম্য বিতর্ক নিয়ে।

কথায় কথায় কথা বাড়ে, সময় হাঁটে বিকেলের পথে। আর এ পথেই দেখা মেলে মন মাতাল করা কনসার্টের। নেচে গেয়ে সবাই একাত্ম হয় আনন্দধারায়। অতঃপর সাঁঝবেলায় শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফেরেন একরাশ সুখাবেশ নিয়ে। যে সুখাবেশে লেখা থাকে নব উদ্যমে একটি নতুন দিন শুরু করার প্রয়াস।

প্রতিক্ষণ/এডি/এনজে

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

September 2026
SSMTWTF
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930 
20G