প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক পেলেন মাসুক মিয়া

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৯ সময়ঃ ১১:৪০ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’  পেয়েছেন পুলিশ সদর দফতরের পিআইও-১ শাখায় কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া।

সোমবার বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) পাওয়া সদস্যরা আগেই পদক পড়ে পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

পদক প্রাপ্তি প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি যদি রাষ্ট্র দেয় তবে সেটা হলো পরম পাওয়া। এ রকম স্বীকৃতি কাজের স্পৃহা বাড়ায় আর এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুক মিয়া’র গুরুত্বপূর্ণ কাজের বিবরণ: পুলিশের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, পেশাদারিত্ব ও সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুর্নীতি প্রবণ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে আইজিপি মহোদয়কে অবহিত করে থাকেন। মাঠ পর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এজেন্ট নিয়োগ ও বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করে থাকেন।

দুর্নীতিপ্রবণ পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে রিপোর্ট প্রদানের কারণে মাঠ পর্যায়ে পুলিশের কাজের জবাবদিহিতা বেড়েছে। যার ফলে সাধারণ মানুষের নিকট বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক জনসমাবেশ, জঙ্গি, কোটা বিরোধী আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে নাশকতাকারীদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। যার ফলে অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

অনুসন্ধানী রিপোর্ট সংক্রান্ত: তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে তথ্য সংগ্রহ করতঃ অনুসন্ধানী রিপোর্ট তৈরী করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইজিপি মহোদয়ের নিকট উপস্থান করেন। এ অনুসন্ধানী রিপোর্টের ভিত্তিতে অনেক দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ফলে পুলিশের কাজের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জনগণের সেবা পাওয়া সহজ হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধান পরিচালনাঃ আইজিপি মহোদয় কর্তৃক নির্দেশিত হয়ে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান পরিচালনা করে তিনি চরম মাত্রায় দুর্নীতিবাজ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে ঐ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়।

আইজিপি কমপ্লেইন সেল এর অভিযোগ অনুসন্ধানঃ আইজিপি কমপ্লেইন সেলে সাধারণ জনগণ কর্তৃক প্রেরিত অভিযোগ সমূহ তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সহিত অনুসন্ধান করেন। যার ফলে সাধারণ জনগণের নিকট আইজিপি কমপ্লেইন সেল সমাদৃত হয়েছে এবং তাদের নিকট পুলিশের গ্রহণযোগ্যতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

মহাসড়কে পুলিশের চাঁদাবাজি রোধে ভূমিকাঃ আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশে তিনি ঢাকা-আরিচা এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে স্বশরীরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে দুর্নীতিপরায়ণ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ভিডিওসহ প্রতিবেদন দাখিল করেন। এছাড়াও ঢাকা মহানগরীর প্রবেশ মুখে বিভিন্ন চেকপোস্টে চেকের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানির রিপোর্ট ভিডিওসহ আইজিপি মহোদয়ের নিকট উপস্থাপন করেন। যার ফলে মহাসড়কে পুলিশের চাঁদাবাজির অভিযোগ অনেকাংশে কমে এসেছে।

উল্লেখ্য, তিনি ২০১২ সালে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।

প্রতিক্ষণ/এডি/শাআ

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

August 2026
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 
20G