পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন বুলবুল

প্রথম প্রকাশঃ এপ্রিল ৫, ২০২৬ সময়ঃ ১১:১৮ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১১:১৮ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) চলমান অস্থিরতার মধ্যেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বোর্ড নির্বাচনে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা পড়েছে—এমন খবরের মধ্যেও তিনি পদে থাকার ব্যাপারে অনড় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিসিবিকে ঘিরে চাপ বাড়িয়েছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বিশেষ করে বোর্ড নির্বাচনের স্বচ্ছতা, চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি এবং বোর্ড পরিচালনায় রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এরই মধ্যে গত দুই দিনে চারজন পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। সব মিলিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন পরিচালক দায়িত্ব ছাড়েন।

শনিবার একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বুলবুল বলেন, তিনি দায়িত্বে থেকেই কাজ চালিয়ে যেতে চান। তার ভাষায়, তিনি শেষ ব্যক্তি হিসেবে পদত্যাগ করবেন এবং তার সঙ্গে থাকা দল নিয়েই দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ করে যেতে আগ্রহী।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কোনো ব্যক্তি অপরিহার্য নয় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলে (আইসিসি) কাজ করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। দেশের স্বার্থে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি। যদি কোনো কারণে এই দায়িত্বে থাকা সম্ভব না হয়, তবুও অন্যভাবে দেশের পাশে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তদন্ত কমিটির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ না করার বিষয়ে তিনি বলেন, সময়ের সমন্বয় না হওয়ায় তিনি লিখিতভাবে তার বক্তব্য দিয়েছেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিজের ভূমিকা প্রসঙ্গে বুলবুল দাবি করেন, তিনি কেবল বিভাগ ও জেলা পর্যায় থেকে কাউন্সিলরদের নাম চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাড-হক কমিটির মাধ্যমে নাম জমা পড়েনি।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, সংবিধান অনুসারে জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর মাধ্যমে কাউন্সিলরদের নাম আসার কথা থাকলেও খুব অল্পসংখ্যক নাম জমা পড়ায় পুনরায় চিঠি দিতে হয়েছিল। তিনি বলেন, নির্বাচনে তার সম্পৃক্ততা এতটুকুতেই সীমাবদ্ধ ছিল।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের মে মাসে বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম। তিনি তখন ফারুক আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হন। একই বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে ওই নির্বাচনে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান।

প্রতি / এডি / শাআ

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত

20G