শহীদ মিনারে মহাসমাবেশের ঘোষণা, গণভবনে জরুরি বৈঠকে তৎকালীন সরকার

প্রকাশঃ আগস্ট ৩, ২০২৬ সময়ঃ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি হয় ২০২৪ সালের ২ আগস্ট। আন্দোলন দমনে একদিকে মোবাইল ইন্টারনেট, ফেসবুক, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমের সেবা সীমিত বা বন্ধ রাখা হয়, অন্যদিকে রাজপথে নেমে আসেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচিকে ঘিরে সারা দেশে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হতে শুরু করে।

সেদিন সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘দ্রোহযাত্রা’ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক, সংস্কৃতিকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও সংহতি জানিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা হত্যাকাণ্ডের বিচার, গ্রেফতার ব্যক্তিদের মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

এদিন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন সমন্বয়ক অভিযোগ করেন, তাদের মানসিক চাপের মধ্যে রেখে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা সংবলিত একটি ভিডিও জোরপূর্বক ধারণ করানো হয়েছিল।

এদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে ১৪-দলীয় জোটের নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং আন্দোলন মোকাবিলায় সম্ভাব্য করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

তবে এসব পদক্ষেপেও আন্দোলনের গতি থামেনি। সেদিনই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা ৩ আগস্ট দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ৪ আগস্ট থেকে ‘সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন’ শুরুর ডাক দেন।

এছাড়া ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশের ঘোষণাও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এই কর্মসূচি আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করে এবং জুলাই অভ্যুত্থানের ধারাবাহিক ঘটনাপ্রবাহে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে আলোচিত হয়।

প্রতি / এডি / শাআ

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

September 2026
SSMTWTF
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930 
20G