শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাব বাংলাদেশে, কেমন যাবে এবারের শীত?

প্রকাশঃ অক্টোবর ১৯, ২০২৬ সময়ঃ ৭:১৬ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৭:১৬ অপরাহ্ণ

দেশে শীতের আগমন নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভোরের হিমেল বাতাস ও হালকা কুয়াশায় শীতের আগাম বার্তা মিললেও ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে শীতের অনুভূতি বাড়তে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে। এর মধ্যেই বৈশ্বিক আবহাওয়ার অন্যতম আলোচিত ঘটনা এল নিনো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আবহাওয়াবিষয়ক বিভিন্ন পূর্বাভাসে চলতি বছরের শেষ দিকে এই প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনার প্রভাব জোরালো হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে। বাংলাদেশেও তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকা, বৃষ্টিপাতের ঘাটতি কিংবা কোনো কোনো এলাকায় খরার মতো পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে দেশের ওপর এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নির্ভর করবে এল নিনোর তীব্রতা, স্থায়িত্ব এবং অন্যান্য আবহাওয়াগত উপাদানের ওপর।

কখন শুরু হবে শীতের প্রকৃত আমেজ?

বাংলাদেশে সাধারণত ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসকে শীতকাল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হতে পারে। তবে শীতের প্রকৃত তীব্রতা সাধারণত পৌষ ও মাঘ মাসে বেশি অনুভূত হয়।

উত্তরের জেলাগুলোতে এরই মধ্যে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সকালে হালকা কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাস অনুভূত হচ্ছে। অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে শীতের প্রভাব বাড়তে আরও সময় লাগতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ই দেশের শীতকাল। সে হিসাবে ডিসেম্বরের আগে পূর্ণাঙ্গ শীতের মৌসুম শুরু হয় না। তবে উত্তরাঞ্চলে ইতিমধ্যে শীতের প্রাথমিক অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, সূর্যের দক্ষিণায়নের কারণে উত্তরাঞ্চলের তাপমাত্রায় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। দেশের উত্তরের জেলাগুলো ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তুলনামূলক আগেই শীতের প্রভাব অনুভব করে। গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হালকা কুয়াশাও দেখা যাচ্ছে। তবে কুয়াশা তৈরির পেছনে বায়ুদূষণসহ বিভিন্ন উপাদানের ভূমিকা থাকতে পারে। ঢাকায় শীতের অনুভূতি বাড়তে জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তাপমাত্রা বেশি থাকলেও বাড়তে পারে শীতের অনুভূতি

এবারের শীতে তাপমাত্রা কেমন থাকবে, তা নিয়ে আবহাওয়াবিদদের পর্যবেক্ষণে কিছুটা ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। কাজী জেবুন্নেছার মতে, এ বছর তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও মানুষের কাছে ঠান্ডা বেশি মনে হতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, তাপমাত্রা ১২, ১৫ কিংবা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলেও দিনের বেশির ভাগ সময় সূর্যের দেখা না মিললে শীতের অনুভূতি তীব্র হতে পারে। ফলে শুধু সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিয়ে শীতের প্রকৃত অনুভূতি সব সময় নির্ধারণ করা যায় না।

এবার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকার সম্ভাবনার পেছনে এল নিনোর প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেছেন এই আবহাওয়াবিদ। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক গবেষণা ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ডিসেম্বরেও এল নিনোর প্রভাব অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতি বৈশ্বিক তাপমাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এল নিনো কী, কেন বাড়ছে উদ্বেগ?

এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরের বিষুবীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা। এ সময় সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের মধ্যে তাপ ও শক্তির আদান-প্রদানের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসে। এর প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ের ধরনে ভিন্নতা দেখা দিতে পারে।

আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, এল নিনোর প্রভাব একেক অঞ্চলে একেক রকম হতে পারে। কোথাও তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে, আবার কোথাও অতিবৃষ্টি কিংবা খরার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আমেরিকা ও ইউরোপের কিছু অঞ্চলে উষ্ণতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার কোনো কোনো এলাকায় বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আফ্রিকার কিছু অঞ্চলেও অতিবৃষ্টি ও বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

এল নিনো এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এক বিষয় নয়। এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত পরিবর্তন, অন্যদিকে মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে দীর্ঘমেয়াদে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে দুটি প্রভাব একই সময়ে সক্রিয় হলে বৈশ্বিক উষ্ণতা আরও বাড়তে পারে। এ কারণে শক্তিশালী এল নিনো নিয়ে বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ বাড়ছে।

২০২৬ সালের শেষ দিকে শক্তিশালী হতে পারে এল নিনো

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা নোয়ার পূর্বাভাসে ২০২৬ সালের বাকি সময়ে এল নিনোর প্রভাব আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন পূর্বাভাসে এটিকে সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো হয়ে ওঠার সম্ভাবনার সঙ্গেও যুক্ত করা হচ্ছে। তবে এর চূড়ান্ত শক্তি ও স্থায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো সতর্ক করে বলেছেন, শক্তিশালী এল নিনো খরা ও অতিবৃষ্টির মতো চরম আবহাওয়াকে আরও তীব্র করতে পারে। একই সঙ্গে স্থলভাগ ও সমুদ্রে তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

এল নিনোর সময় প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ পানি ও বায়ুমণ্ডলের মধ্যে তাপের আদান-প্রদানের ধরন পরিবর্তিত হয়। এর প্রভাব আগে থেকেই উষ্ণ হয়ে ওঠা পৃথিবীর সঙ্গে যুক্ত হলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ২০২৭ সাল বিশ্বের উষ্ণতম বছরগুলোর একটি, এমনকি রেকর্ডের শীর্ষে উঠে আসতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

তবে এল নিনো সক্রিয় হলেই সব অঞ্চলে একই ধরনের আবহাওয়া তৈরি হয় না। কোন সময়ে এর প্রভাব দেখা দিচ্ছে, সমুদ্রের তাপমাত্রার অবস্থা কেমন এবং আঞ্চলিক আবহাওয়ার অন্যান্য উপাদান কীভাবে কাজ করছে, তার ওপর ফলাফল নির্ভর করে। অতীতের দুটি এল নিনোর প্রভাবও পুরোপুরি এক রকম ছিল না।

কৃষি, খাদ্য সরবরাহ ও মৎস্যসম্পদে ঝুঁকি

শক্তিশালী এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব শুধু তাপমাত্রা বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার কিছু অঞ্চলে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষিকাজ ব্যাহত হতে পারে। মাটিতে আর্দ্রতার ঘাটতি, সেচের পানির সংকট এবং দাবানলের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

খরা দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিকেন্দ্রিক অস্থিরতার কারণে সার পরিবহন ব্যাহত হলে কৃষি খাতের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। উৎপাদন ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে।

দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্যসম্পদের ওপরও এল নিনোর প্রভাব পড়তে পারে। স্বাভাবিক অবস্থায় সমুদ্রের গভীর থেকে উঠে আসা ঠান্ডা ও পুষ্টিসমৃদ্ধ পানি সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্যশৃঙ্খল সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এল নিনোর সময় এই প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে গেলে অ্যাঞ্চোভিসের মতো মাছের খাদ্য কমে যেতে পারে। এর ফলে মাছের প্রাচুর্য ও মৎস্য আহরণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

অতীতের শক্তিশালী এল নিনো থেকে কী জানা যায়?

২০১৫-১৬ সালের এল নিনোকে ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওই সময় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে খরা, পানির সংকট এবং অস্বাভাবিক আবহাওয়ার পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল। ক্যারিবীয় অঞ্চলে পানির ঘাটতি, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরে ঝড়ের সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে খরার মতো ঘটনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ তৈরি করেছিল।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, খরা ও ঝড়সহ বিভিন্ন দুর্যোগের সম্মিলিত প্রভাবে বিশ্বের বহু মানুষ খাদ্যসংকটে পড়েছিলেন। এসব ঘটনার পেছনে এল নিনোরও ভূমিকা ছিল বলে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

এবারও শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় অতীতের অভিজ্ঞতা সামনে আসছে। তবে আগের ঘটনার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করলেই ভবিষ্যতের প্রভাব নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায় না। আবহাওয়ার ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ এবং অঞ্চলভিত্তিক পূর্বাভাস এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, এল নিনোর প্রভাবে উষ্ণ পৃথিবীতে জলবায়ুজনিত বিপর্যয়ের ঝুঁকি আরও বিস্তৃত ও তীব্র হতে পারে। তাই সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশগুলোকে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে।

বাংলাদেশে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?

বাংলাদেশে এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে জলবায়ু গবেষক ও আবহাওয়াবিদদের পর্যবেক্ষণে সতর্কতার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে এখনই দেশের আবহাওয়ায় এর প্রভাবের মাত্রা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতের ঘাটতি এবং কোনো কোনো এলাকায় খরার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে স্বল্প সময়ে অতিবৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ঢাকাভিত্তিক জলবায়ু গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের পরিচালক গোলাম রব্বানী বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এল নিনোর সময় বাংলাদেশের কিছু এলাকায় তাপপ্রবাহ ও খরাসদৃশ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আবার অল্প সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে।

এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে আগামী তিন মাসে দেশে একাধিক তাপপ্রবাহের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পূর্বাভাসে ৮ থেকে ১০টি তাপপ্রবাহের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও এর সময়কাল ও বাস্তব পরিস্থিতি নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাসের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।

জলবায়ু পরিবর্তনের এই সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন গবেষকেরাও। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক ও বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাজিব কুমার সাহার মতে, এল নিনোকে থামানো সম্ভব না হলেও এর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

সব মিলিয়ে, এবারের শীতের তাপমাত্রা ও তীব্রতা কেমন হবে, তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব বৈশ্বিক আবহাওয়ায় পরিবর্তন আনতে পারে, তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর প্রকৃত চিত্র নির্ভর করবে স্থানীয় আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং জলবায়ুগত অন্যান্য পরিস্থিতির ওপর। তাই শীতের পূর্বাভাসের পাশাপাশি তাপপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও সম্ভাব্য দুর্যোগসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন।

প্রতি / এডি / শাআ

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G