এবার ডাকসু থেকে বিতাড়িত মান্না

প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৫ সময়ঃ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিক্ষণ ডট কম

manna-300x150ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর সাবেক সহ-সভাপতিদের  (ভিপি) নামের অনারবোর্ড থেকে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম মুছে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। আগুন দিয়েছে তার ছবিতেও।

মঙ্গলবার বেলা ১টা ১৭ মিনিটে ডাকসু সংগ্রহশালায় ৩০/৪০ শিক্ষার্থী ঢুকে অনার বোর্ড থেকে প্রথমে তার নাম মুছে ফেলে। এরপর সংগ্রহশালায় টানানো ছবি খুলে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ডাকসু সংগ্রহশালার তত্ত্বাবধায়ক গোপাল দাস  এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে ডাকসুর নির্বাচিত ভিপি ছিলেন মাহমুদুর রহমান মান্না। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পক্ষে জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থী জয়দেব নন্দী বলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লাশ ফেলার কথা বলবেন, আর তার ছবি ডাকসুতে জ্বলজ্বল করবে, এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারে না। তাই শিক্ষার্থীরা তার নাম মুছে, ছবিতে আগুন দিয়েছে।

ছবি পোড়ানোর সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- কবি জসীম উদ্দিন হলের শিক্ষার্থী কাজী এনায়েত হোসেন, আবদুর রহমান জীবন, জিয়া হলের সাইফুর রহমান সোহাগ, মুহসিন হলের শেখ ফয়সল প্রমুখ।

সম্প্রতি মান্নার একটি ফোনালাপের রেকর্ড ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই ফোনালাপ ছিল বিএনপির এক নেতার সঙ্গে। রেকর্ডে মান্নাকে ওই নেতার উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, ‘ধরেন, ইউনিভার্সিটিতে একটা মিছিল হলো। ধরেন যা মারামারি বাইরে হচ্ছে। ইউনিভার্সিটিতে মারামারিতে গেলো দুই তিনটা। কি করা যাবে? কিন্তু হল…আপনারা গভ:মেন্টকে শেইক করে ফেললেন।’এ সময় হল দখলের কথাও বলতে শোনা যায় তাকে।

উল্লেখ্য, এক সময়ের বামধারার ছাত্রনেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না আশির দশকে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। তখন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদে ছিলেন তিনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর পদ হারান মান্না।  এর পর নাগরিক ঐক্য নামে একটি দল গঠন করেন নিজেই।

প্রতিক্ষণ/এডি/রানা

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য

20G