মজার খাবার আইসক্রিম খাওয়ার সমস্যা

প্রকাশঃ জুলাই ২৮, ২০১৫ সময়ঃ ১২:২৯ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ

প্রতিক্ষণ ডেস্ক

crcrmআইসক্রিম অত্যন্ত মুখরোচক একটি খাবার। ছোট-বড় কম বেশি প্রায় সবারই পছন্দের খাবার হলো আইসক্রিম। আইসক্রিম এর নানা ধরনের ফ্লেভার ও উপাদানের সমাহার মানুষকে লোভাতুর করে তোলে। যেমন, ভ্যানিলা, চকোলেট, ম্যাংগো, স্ট্রবেরি ইত্যাদি।

যদিও আইসক্রিমের জন্মস্থান চীনে। কিন্তু ইতালীয় পর্যটক মার্কোপোলো আইসক্রিম তৈরির কৌশলটি চীন থেকে ইউরোপে নিয়ে আসেন। ১৫৩৩ সালে আইসক্রিম ইতালী থেকে প্রথম ফ্রান্সে আসে এবং সেখান থেকে পরে যায় ইংল্যান্ডে। এরপর আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আইসক্রিম ছড়িয়ে পড়ে। ১৯০০ সাল হতে আইসক্রিমের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।

আইসক্রিম মজাদার খাবার হলেও এর রয়েছে বেশ কিছু ক্ষতিকর দিক। তাই একেবারেই যে খাবেন না তা কিন্তু বলছি না। মাঝে মধ্যে নিশ্চয়ই খেতে পারেন। কিন্তু আইসক্রিম খাওয়াটা যদি রোজকার অভ্যাসে পরিনত হয়ে যায় তাহলে আপনার শরীরের জন্য তা হবে অনেক ক্ষতিকর। কিভাবে আইসক্রিম আপনার শরীরের ক্ষতি সাধন করতে পারে, আসুন এক নজরে সেটা জেনে নেই:
১। অতিরিক্ত আইসক্রিম খেলে দেহের ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। এছাড়া দাঁতের জন্যও ক্ষতিকর।

২। আইসক্রিমে থাকে প্রচুর পরিমানে চিনি যা আমাদের শরীরের জন্য মোটেই ভালো নয়। তাছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে আইসক্রিম রক্তের শর্করা বাড়াতে সাহায্য করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

৩। বেশি পরিমানে আইসক্রিম জাতীয় খাবার খেলে শরীরে একান্ত প্রয়োজনীয় ফাইবার,মিনারেল ও অন্যান্য উপাদানের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

৫। আইসক্রিম মানেই হল হাই ক্যালোরি,লো ফাইবার ও ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব–এই তিনের সম্মেলন। যার ফলে সহজেই হার্টের অসুখ ,স্ট্রোক ও ডায়াবেটিসের সমস্যা দেখা দেয়।

৬। আইসক্রিমে থাকে কৃত্রিম রঙ ও ফ্লেভার, যা হতে পারে কোলন ক্যান্সার সহ আরও নানান রকম ক্যান্সারের উৎস।

৭। যারা টনসিল অপারেশন করেননি তাদের জন্য আইসক্রিম ক্ষতিকর।
তবে আইসক্রিমের উপকারিতা ও অপকারিতার কথা বিবেচনা করে পরিমিত পরিমাণে আইসক্রিম খেতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে আইসক্রিম খেতে হলে ঘরে তৈরি আইসক্রিমের বিকল্প নেই।
প্রতিক্ষণ/এডি/তাফসির

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

August 2026
SSMTWTF
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 
20G