লাল-সবুজের টানে জাপানের নাগরিকত্ব ছাড়তে প্রস্তুত শুকি ইতোফুসা
বাবার দেশ বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামার স্বপ্ন পূরণে আরও এক ধাপ এগিয়েছেন জাপানি বংশোদ্ভূত ফুটবলার শুকি ইতোফুসা। বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করা এই ফরোয়ার্ড জাপানে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেটে বাংলাদেশি পাসপোর্টের জন্য বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।
বাংলাদেশের লাল-সবুজ জার্সিতে শুকিকে দেখার পথ অবশ্য এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। এর আগে তাকে নাগরিকত্বসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। জাপানের নাগরিকত্ব আইনের কারণে প্রাপ্তবয়স্কদের দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখার সুযোগ সীমিত হওয়ায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণের জন্য শুকিকে জাপানি নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
জাতীয় দলের পথে আরও কিছু আনুষ্ঠানিকতা
বাংলাদেশি পাসপোর্ট পাওয়ার পর শুকির আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের হয়ে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। তার খেলোয়াড় স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
শুধু বাংলাদেশি বংশসূত্র থাকলেই জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ নিশ্চিত হয় না। নাগরিকত্ব এবং আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ের স্ট্যাটাস পরিবর্তনসহ প্রযোজ্য সব নিয়ম পূরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামার বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
বাবার দেশের জার্সির জন্য বড় সিদ্ধান্ত
জাপানে বেড়ে ওঠা শুকি ইতোফুসার সামনে ছিল জাপানের নাগরিকত্ব ধরে রেখে নিজের ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু বাবার দেশ বাংলাদেশের হয়ে খেলার আকাঙ্ক্ষা থেকেই তিনি লাল-সবুজের পথ বেছে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।
বাংলাদেশি পাসপোর্টের জন্য বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করা সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এখন নাগরিকত্ব ও খেলোয়াড় স্ট্যাটাস পরিবর্তনের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সফলভাবে শেষ করতে পারলেই বাংলাদেশের জাতীয় দলের দরজা তার সামনে খুলতে পারে।
সব প্রক্রিয়া শেষ হলে শুকি ইতোফুসাকে লাল-সবুজ জার্সিতে দেখা যেতে পারে। প্রবাসী ও বিদেশে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তার অন্তর্ভুক্তি দেশের ফুটবলে নতুন সম্ভাবনারও ইঙ্গিত দিতে পারে।
প্রতি / এডি / শাআ






















