যেসব কাজ ক্যারিয়ারের জন্য ক্ষতিকর
ডেস্ক রিপোর্ট, প্রতিক্ষণ ডট কম:
আমাদের অনেকেরই পেশাজীবনে নানা বদভ্যাস রয়েছে। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা এ বিষয়ে সচেতন থাকিনা। এমন অনেক বাজে অভ্যাসের কারণে আমাদের সম্পর্ক, কাজের গতি, উৎপাদনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১. অফিসে বসের অগোচরে তাকে নিয়ে নানা সমালোচনা এবং গসিপের জন্ম দেয়া ভালো লক্ষণ নয়। এই অভ্যাস আপনাকে বিপদগ্রস্ত করে দেবে। যদি এই অভ্যাস থাকে তবে প্রমোশন বা ভালো ক্যারিয়ার আশা করবেন না।
২. অন্যান্য কর্মীদের ওপর দোষ চাপানো অশুভ লক্ষণ। অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়ার অর্থ আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পেশাদার আচরণকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। এ ক্ষেত্রে অন্যের চোখে আপনি এমন এক কর্মী হিসাবে বিবেচিত হবেন যিনি কোনো কিছু মেনে নিতে পারেন না।
৩. বস, সহকর্মী, অধিনস্তদের সামনে যদি আবেগ ধরে না রাখতে পারেন, তবে তা পেশাগত জ্ঞানের অভাব বলে বিবেচিত হবে।
৪. কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি নিজেকেই অযোগ্য বলে মনে করেন, তবে নিজের পায়ে নিজের কুড়াল মারা হবে।
৫. ক্রমাগত অভিযোগ করে যাওয়ার অর্থ আপনি সমাধানে আন্তরিক নন অথবা সমস্যা মেটানোর পথ বের করতে পারেন না। তাই যা করতে পারবেন না তা নিয়ে কাউকে দোষারোপ করবেন না, বরং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনে গঠনমূলক পরামর্শ দিন।
৬. কোনো কাজে সিদ্ধান্তহীনতা, ভয় পাওয়া বা দোটানায় থাকা আপনার সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে হতাশ করে তুলবে। আবার অতিমাত্রায় আত্মবিশ্বাস দেখানোও ভালো নয়।
৭. মাথায় যেসব আইডিয়া আসে তা নিয়ে চুপ করে বসে থাকার সিদ্ধান্তটি আত্মঘাতী। প্রতিষ্ঠানে কোনো বাজে সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ বা নিজের মতামত নিজের মধ্যে রেখে দেয়ার কারণে আপনি একসময় নিষ্ক্রিয় কর্মী বলে বিবেচিত হবেন। তাই সব সময় চুপ হয়ে থাকবেন না।
৮. বর্তমান চাকরির প্রতি ঘৃণা জন্মালে তা অফিসে আপনার আচরণ ও কথাবার্তায় প্রকাশ পাবে। সে ক্ষেত্রে সেখানে আপনার কোনো স্থান হওয়ার কথা নয়।
৯. আবার বর্তমান চাকরি পছন্দ না হলে নতুন চাকরিও খুঁজে নিতে পারেন। কিন্তু এর চেয়ে ভালো চাকরি খুঁজে পাবেন না বলে মনে করা আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকাশ করে। আপনার যে দক্ষতা এবং মেধা রয়েছে তার প্রতি ভরসা রাখতে হবে। নইলে বর্তমান চাকরিটাও হারাতে হবে।
প্রতিক্ষণ/এডি/পাভেল
























