কাতারে থাকা প্রবাসীদের জন্য এলো জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশঃ জুন ১৮, ২০২৬ সময়ঃ ১১:৫৩ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১১:৫৩ অপরাহ্ণ

কাতারে বসবাসরত প্রবাসী এবং দেশটিতে ভ্রমণে যাওয়া বিদেশিদের জন্য রেসিডেন্সি ও ভিসা সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রেসিডেন্সি পারমিট (আকামা) বাতিল হওয়ার পর কাতারে বৈধভাবে অবস্থানের সময়সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে।

কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ আয়োজিত একটি অনলাইন সেমিনারে এসব পরিবর্তনের তথ্য তুলে ধরা হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রবাসী ও দর্শনার্থীদের নতুন নিয়ম সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আগে কোনো ব্যক্তির রেসিডেন্সি পারমিট বাতিল হলে তিনি আরও ৩০ দিন কাতারে অবস্থান করতে পারতেন। তবে নতুন সিদ্ধান্তে সেই সময়সীমা কমিয়ে ১৪ দিনে নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, আকামা বাতিল হওয়ার পর দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে।

নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলে অতিরিক্ত প্রতিদিনের জন্য ১০ কাতারি রিয়াল হারে জরিমানা দিতে হবে। তাই প্রবাসীদের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ভিজিট ভিসা নিয়ে কাতারে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদেরও সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ। তাদের ভিসার মেয়াদ এবং অনুমোদিত অবস্থানকাল নিয়মিত যাচাই করার কথা বলা হয়েছে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশে অবস্থান করলে প্রতিদিন ২০০ কাতারি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে।

ভ্রমণের আগে সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে প্রবাসীদের ‘মেট্রাশ’ অ্যাপ ব্যবহার করে নিজেদের আইনি অবস্থা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো ট্রাফিক জরিমানা, ওভারস্টে ফি বা সরকারি বকেয়া থাকলে তা আগেই পরিশোধ করে নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া নতুন পাসপোর্ট গ্রহণের পর রেসিডেন্সি পারমিট স্থানান্তরের কাজও মেট্রাশ অ্যাপের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা আরও দ্রুত করতে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু থাকা ই-গেট ব্যবহারের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। আগমন ও বহির্গমন মিলিয়ে বিমানবন্দরটিতে বর্তমানে কয়েক ডজন ইলেকট্রনিক গেট চালু রয়েছে, যা ব্যবহার করে যাত্রীরা অপেক্ষার সময় কমাতে পারেন।

একই সঙ্গে কাতারে জন্ম নেওয়া প্রবাসী পরিবারের নবজাতকদের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। জন্মের পর শিশুর তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে এবং নিজ দেশের দূতাবাস থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের পর বাবার স্পন্সরশিপের আওতায় রেসিডেন্সি পারমিটের আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবার নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতি / এডি / শাআ

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G