ধর্মীয় শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছে সরকার

প্রকাশঃ মার্চ ২২, ২০১৬ সময়ঃ ২:১৬ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:১৬ অপরাহ্ণ

 hassinna01ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া কোনো শিক্ষাই পূর্ণতা পায় না। বর্তমান সরকার ধর্মীয় শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু গুরুত্ব দিয়েছেন। সেজন্য তিনি বোর্ড তৈরি করে গেছেন। ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া শিক্ষায় উন্নয়ন হয় না। সেটা শিশুকাল থেকেই দিতে হয়। তাই বঙ্গবন্ধু এ শিক্ষা প্রসারে ভাতার ব্যবস্থা করেছেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী  বলেন, “আমরা বঙ্গবন্ধুর পথ অনুসরণ করছি। ক্ষমতায় আসার পর এক হাজারেরও বেশি মাদ্রাসায় একাডেমিক ভবন নির্মাণ করে দিয়েছি। ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছি”।

শেখ হাসিনা বলেন, “বিশ্ব ইজতেমার ভেন্যু নির্ধারণের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশে তা আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করে গেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি খুব কম সময়ই ক্ষমতায় থেকেছেন। এই স্বল্প সময় তিনি দেশ থেকে মদ-জুয়াসহ সকল গর্হিত ও ইসলামবিরোধী বিষয়গুলো নিষিদ্ধ করে গেছেন। ইসলাম প্রচার ও প্রসারে কাজ করে গেছেন তিনি। তার কল্যাণেই বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে।”

শেখ হাসিনা আরো বলেন, “বায়তুল মোকাররম মসজিদ আমাদের জাতীয় মসজিদ। এ মসজিদের উন্নয়নে আমরা প্রকল্প হাতে নেই। সৌন্দয্য বর্ধন, অ্যাভিনিউ নির্মাণ করি। শুধু তাই নয়, বায়তুল মোকাররম মসজিদে যেন পাঁচ হাজার নারী এক সঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন, সে ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে।”

ধর্মপ্রচার করতে হবে কিন্তু ধর্মের নামে যাতে কোন ধরনের জঙ্গীবাদ মাথাচারা দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

প্রতিক্ষণ/এডি/কেএইচ

আরো সংবাদঃ

সর্বশেষ সংবাদ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G