ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে কারা ক্যাপসুল পাবে? জেনে নিন বিস্তারিত

প্রকাশঃ জুন ২৯, ২০২৬ সময়ঃ ১০:৫১ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১০:৫১ অপরাহ্ণ

দেশব্যাপী আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। শিশুদের ভিটামিন এ–এর ঘাটতি পূরণ, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাতকানা বা অন্ধত্বের ঝুঁকি কমাতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের এই ক্যাপসুল দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া হয় না। একইভাবে, কোনো শিশু যদি গত এক মাসের মধ্যে উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ ক্যাপসুল গ্রহণ করে থাকে, তাহলে তাকে পুনরায় এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না।

অনেক অভিভাবকের ধারণা, জ্বর, সর্দি, কাশি বা ডায়রিয়া থাকলে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া উচিত নয়। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব সাধারণ শারীরিক সমস্যায় ক্যাপসুল খাওয়াতে কোনো বাধা নেই। এমনকি অপুষ্টিতে ভোগা শিশুকেও প্রয়োজন অনুযায়ী ভিটামিন এ দেওয়া যেতে পারে।

তবে কোনো শিশু গুরুতর অসুস্থ থাকলে বা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলে আগে তার চিকিৎসা সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এরপর চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া উচিত।

বয়সভেদে শিশুদের জন্য দুটি ধরনের ক্যাপসুল নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হবে নীল রঙের ক্যাপসুল, আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হবে লাল রঙের ক্যাপসুল।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন এ শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি কমাতেও কার্যকর। তাই নির্ধারিত বয়সের সব শিশুকে এই জাতীয় কর্মসূচির আওতায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতি / এডি / শাআ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য

আরো সংবাদঃ

মন্তব্য করুনঃ

পাঠকের মন্তব্য



আর্কাইভ

20G