মারমেইড বিচ রিসোর্টের একাংশ ভেঙে দিলো প্রশাসন
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সংরক্ষিত বালিয়াড়ি দখলের অভিযোগে আলোচিত মারমেইড রিসোর্ট এর একটি অংশ উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে দিনভর ভাঙা হয় বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা।
অভিযানে রামু উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফের বদরমোকাম পর্যন্ত প্রায় ১২০ কিলোমিটার এলাকা প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন অঞ্চল (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই এলাকায় কোনো স্থাপনা নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
তবে অভিযোগ রয়েছে, প্যাঁচারদ্বীপ এলাকায় প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই রিসোর্টটির বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়। সেখানে আবাসিক ভবন, রেস্তোরাঁসহ একাধিক স্থাপনা তৈরি করা হয়েছিল।
পরিবেশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, প্যাঁচারদ্বীপ এলাকা লাল কাঁকড়া ও সামুদ্রিক কচ্ছপের গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল। কিন্তু সেখানে নিয়মিত আলোকসজ্জা ও উচ্চ শব্দে অনুষ্ঠান আয়োজনের ফলে এসব প্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণ ব্যাহত হয়েছে।
ভূমি অফিসের তথ্যে জানা যায়, রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ সরকারি খাস জমির একটি অংশ দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এ বিষয়ে একাধিকবার প্রতিবেদন পাঠানো হলেও নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সংরক্ষিত এলাকায় অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনাগুলো অপসারণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রতি / এডি / শাআ









