সরকারি চাকরির বাইরেও যাদের জন্য থাকতে পারে পে-স্কেলের সুযোগ
বাংলাদেশে দীর্ঘদিন পর নতুন জাতীয় পে-স্কেল কার্যকরের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী বৈঠকে আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল চালুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নতুন বেতন কাঠামোতে শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই নন, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও সুবিধার আওতায় আসতে পারেন। এ লক্ষ্যে সবার জন্য সমন্বিত নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
প্রস্তাবিত কাঠামোয় শিক্ষক, স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কর্মী, পুলিশ সদস্য, বিচার বিভাগ এবং মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিভিন্ন গ্রেডের বেতন বৈষম্য কমানোর দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এবারের পে-স্কেলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য বেশি সুবিধা রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সুবিধাও বাড়তে পারে। অন্যদিকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক সীমিত হারে সুবিধা বাড়ানোর আলোচনা চলছে।
অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পেনশন ব্যবস্থাতেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। বিশেষ করে যাদের মাসিক পেনশন তুলনামূলক কম, তাদের জন্য বাড়তি আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব গুরুত্ব পাচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে পেনশন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে।
সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রস্তুতি শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি কার্যকর করা গেলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমার পাশাপাশি চাকরিক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্যও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।
প্রতি / এডি / শাআ













