বিজয় দিবসের নাটক-টেলিফিল্ম

প্রকাশঃ ডিসেম্বর ১৬, ২০১৫ সময়ঃ ৪:০০ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৪:০০ অপরাহ্ণ

Natok_মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং বিজয়ের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিতে বিভিন্ন নাট্যনির্মাতার পরিচালনায় এবারের বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি বিশেষ নাটক টেলিফিল্ম।
আজ বুধবার(১৬ ডিসেম্বর) বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে এসব নাটক প্রচারিত হবে।

‘সবুজ কাহিনী’
ফাহিমা আক্তারের রচনা ও সুমন আনোয়ারের পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন মৌ ও আজাদ আবুল কালাম। আরটিভিতে রাত ৯ টা ৫ মিনিটে প্রচার করা হবে।

নাটকের গল্পে থাকছে, বড় মেয়ে নবর পীড়াপিড়িতে চিত্রপ্রদর্শনীতে এসেছেন নীলা। একটা সময় ছিলো নীলা আশপাশের প্রদশর্নী মিস দিতেন না। সেটা নানা ব্যস্ততায় আর হয়ে ওঠে না। প্রদশর্নীতে এসে ভালো্ই লাগছে নীলার। তার মেয়ে এ শিল্পীর বড় ভক্ত। খুব আগ্রহ নিয়ে শিল্পীর সঙ্গে পরিচিত হতে গিয়ে চমকে ওঠে নীলা। এ যে আবিদ। তার চিরচেনা ভালোবাসার আবিদ। যে বিশ বছর আগে বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে গেছে। এ যে প্রতারক আবিদ। মেয়ের সামনে কোনও কিছু প্রকাশ করে না নীলা। তার মনে বিশ বছর ধরে একটা প্রশ্নই ঘুরপাক খায়। কেনো সে বিয়ের আসর থেকে পালিয়েছিলো। কি দোষ ছিল নীলার!
‘জনক ৭১’
রচনায় আনিসুল হক ও পরিচালনায় আশুতোষ সুজন। অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, অ্যালেন শুভ্র, শবনম ফারিয়া, রিফাত চৌধুরী প্রমুখ। চ্যানেল নাইনে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে প্রচার করা হবে নাটক ‘জনক ৭১’।

নাটকের গল্পে থাকছে, স্কুলের অঙ্কের জাদরেল মাষ্টার শামসু বিএসসি। কিন্তু তিনি অন্ধ। তাকে স্কুলে দিয়ে ও নিয়ে আসে তার একমাত্র ছেলে, তিনবার ক্লাস নাইনে থাকা মতিন। ছোটবেলায় মতিনের মা মারা গেলে বাবা আর বিয়ে করেন নি। ছেলেকে বড় করছেন নিজের হাতে। ১৯৭১ সালে এপ্রিলে অন্ধ বাবাকে বান্ধবী নাজমার দায়িত্বে রেখে মতিন যুদ্ধে চলে যায়। জুলাইয়ের শেষ দিকে পাকিস্তানি আর্মির সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে মতিন মারা যায়।

‘বাড়ির নাম স্বাধীনতা’
লেখক ফরিদুর রেজা সাগরের ‘বাড়ি’ সিরিজের কাহিনী নিয়ে দশম নাটক তৈরি হয়েছে। ‘বাড়ির নাম স্বাধীনতা’ নামের এ নাটকটির নাট্যরূপ ও পরিচালনা করেছেন অরুণ চৌধুরী । এতে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, আবুল হায়াত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, মাহমুদ সাজ্জাদ, শম্পা রেজা, আল মনসুর, ইরফান সাজ্জাদ, সামিয়া সাঈদ এবং মিথিলা।
নাটকের গল্পে দেখা যাবে- আবুল হায়াত, রাইসুল ইসলাম আসাদ আর শম্পা রেজা এরা তিন ভাইবোন। তিনজন থাকেন তিন দেশ অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে। এ সময় সবাই দেশে আসেন তাদের বাবার এক ঐতিহাসিক বাড়ি বিক্রি করার জন্য। যে বাড়িতে একদিন মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো।

‘আধারের ঋণ’
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোশাররফ করিম ছিলেন এলাকার প্রভাবশালী রাজাকার। তার সহায়তায় বেছে বেছে বুদ্ধিজীবি ও মুক্তচিন্তার মানুষদের নির্যাতন করে হত্যা করেছে পাকিস্তানী সেনারা। কিন্তু যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে মোশাররফ এখন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।
অন্যদিকে সেই যুদ্ধে সম্ভ্রম হারিয়ে বীরাঙ্গনা হিসেবে কোনো রকমে বেঁচে আছেন তিশা। এমনই এক গল্প নিয়ে আবু হায়াত মাহমুদ তৈরি করছেন ‘আঁধারের ঋণ’ নামে নাটকটি। রচনায় তাবারুখ হোসেন ভূঁইয়া, চিত্রনাট্য লিখেছেন মাসুম শাহরিয়ার।
রাত ৮টায় আরটিভিতে প্রচার হবে এটি। সারদা পুলিশ একাডেমি ও পুঠিয়া রাজবাড়িতে দৃশ্যধারণ করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ নাটকটির। মোশাররফ-তিশা ছাড়াও অভিনয় করছেন আহমেদ রুবেল, রামিজ রাজু প্রমুখ।

এছাড়াও অন্যান্য বিশেষ নাটকের মধ্যে থাকছে, ডেড লাইন ৭১, একাত্তর ডিগ্রী, চশমা, ওয়ার্কশপ, আত্মজ,শহীদ মোসাম্মৎ কুলসুম বেগম, শেষ চিঠি, আগুনের ফুল, বিজয় হেয়ার ড্রেসার।

 

প্রতিক্ষণ/এডি/জেডএমলি

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G